Thursday , December 2 2021
Breaking News
Home / বাংলাদেশ / সংসদ অধিবেশন শুরু আজ, বাজেট পেশ আগামীকাল

সংসদ অধিবেশন শুরু আজ, বাজেট পেশ আগামীকাল

সংসদ অধিবেশন

কাজী মাহফুজুর রহমান শুভ/ মো. কামরুল হাসান:
মহামারী করোনার ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলায় ‘জীবন ও জীবিকার প্রাধান্যে আগামীর বাংলাদেশ’ সেস্নাগানে পেশ হতে যাচ্ছে এবারের বাজেট। অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল আগামীকাল ৩ জুন জাতীয় সংসদে উত্থাপন করবেন টাকার অঙ্কে এ যাবতকালের সর্বোচ্চ দেশের ৫০তম বাজেট। অপ্রয়োজনীয় খাতে ব্যয় হরাস করে শতভাগ বাস্তবমুখী করার চেষ্টা করা হবে এবারের বাজেটে। করোনার টিকা আমদানিতে প্রয়োজনীয় অর্থের সংস্থান, নিত্যপণ্যের দাম কমানো, কর্মসংস্থান বাড়াতে ব্যবসা-বাণিজ্য বিনিয়োগবান্ধব কর ও ভ্যাট নীতি অবলম্বন এবং সাধারণ মানুষকে সঞ্চয়ে উৎসাহিত করতে সঞ্চয়পত্রের মুনাফা বাড়ানোর মতো চার বিষয়ের ওপর জোর দেয়া হয়েছে আসন্ন বাজেটে। সেই সাথে এবারের বাজেটে কোন খাতে বাড়তি করারোপ করা হচ্ছে না।

একাদশ জাতীয় সংসদের ত্রয়োদশ (বাজেট) অধিবেশন আজ বুধবার বিকাল ৫টায় শুরু হবে। রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ সংবিধানে প্রদত্ত ক্ষমতা অনুযায়ি এ অধিবেশন আহবান করেছেন। এ অধিবেশনের দ্বিতীয় কার্য দিবস ৩ জুন বৃহস্পতিবার সংসদে ২০২১-২০২২ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব পেশ করা হবে। ওইদিন বিকেল ৩টায় অর্থমন্ত্রী আ.হ.ম মুস্তাফা কামাল তার দায়িত্বকালের তৃতীয় বাজেট, আওয়ামী লীগ সরকারের ২১তম এবং বাংলাদেশের ৫০তম বাজেট উপস্থাপন করবেন।

আর এটি হবে বৈশ্বিক মহামারী করোনাকালীন দ্বিতীয় বাজেট অধিবেশন। এর আগে গত বছর ১০ জুন করোনা মহামারীর মধ্যে চলতি অর্থবছরের বাজেট অধিবেশন শুরু হয়। ১১ জুন ২০২০-২০২১ অর্থ বছরের বাজেট পেশ করা হয়।

জানা গেছে, ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেটের আকার নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৩ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা। যা মোট জিডিপির ১৭ দশমিক ৪৭ শতাংশ। টাকার অঙ্কে এই বাজেট চলতি অর্থবছরে (২০২০-২১) মূল বাজেটের চেয়ে ৩৫ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা বেশি। বড় ব্যয়ের এই বাজেটে অর্থসংস্থানে সবচেয়ে বেশি জোর দেয়া হচ্ছে রাজস্ব আয় বাড়ানো এবং বিদেশি ঋণ ও অনুদানের ওপর। এবারই সবচেয়ে বেশি প্রায় ৯০ হাজার কোটি টাকার বিদেশি ঋণ নেয়া হবে বাজেট বাস্তবায়নে। এছাড়া কর আদায় বাড়াতে সক্ষম ব্যক্তিদের করনেটের আওতায় নিয়ে আসার পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। অর্থনীতি সচল রাখতে এবারো করছাড় দিয়ে ব্যবসাবান্ধব বাজেট ঘোষণা করা হবে। করোনার কারণে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ সামনে রেখে আগামী ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেট করতে হচ্ছে। করোনার ধাক্কা সামলাতে সরকার আয়ের দিকে বেশি নজর দিচ্ছে। এই আয় দিয়ে আগামীতে বড় খরচগুলো সামাল দিতে হবে। সব মিলে এই করোনাকালীন ৩ লাখ ৯২ হাজার ৪৯০ কোটি টাকা আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। এটি জিডিপির ১১ দশমিক ৩৫ শতাংশ। চলতি বছরে এ আয়ের সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রা হচ্ছে ৩ লাখ ৫৫ হাজার ৫১৭ কোটি টাকা। করোনা মহামারীতেও চলতি বছরের চেয়ে ৩৬ হাজার ৯৭৩ কোটি টাকা বেশি আদায় করতে চান অর্থমন্ত্রী। আর মোট আয়ের মধ্যে রাজস্ব খাত থেকে আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ লাখ ৮৯ হাজার কোটি টাকা এবং বৈদেশিক অনুদান নেয়া হবে ৩ হাজার ৪৯০ কোটি টাকা। আগামী অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৭ দশমিক ২ শতাংশ। এই অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৫ দশমিক ৩ শতাংশের মধ্যে সীমিত রাখার লক্ষ্যমাত্রা নেয়া হয়েছে। চলতি অর্থবছরের মূল বাজেটে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ধরা হয়েছিল ৮ দশমিক ২ শতাংশ। সংশোধিত বাজেটে এটি কমিয়ে ৬ দশমিক ১ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামী অর্থবছরে টাকার অঙ্কে জিডিপি’র মোট আকার প্রাক্কলন করা হয়েছে ৩৪ লাখ ৫৬ হাজার কোটি টাকা। এতে বাজেটের আকার দাঁড়াচ্ছে জিডিপি’র ১৭ দশমিক ৪৭ শতাংশ।

জানা গেছে, সরকারি ব্যয় বাড়লেও নতুন করে কোনো খাতে বাড়তি করারোপ করা হচ্ছে না। ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের স্বস্তি দিতে বাজেটে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড উদার নীতি অবলম্বন করতে যাচ্ছে। তবে সামর্থ্যবান ও কর প্রদানে সক্ষম এমন লোক ও প্রতিষ্ঠানকে করের আওতায় নিয়ে আসা হবে। স্বল্পোন্নত থেকে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পাওয়ায় রফতানি খাতে যেসব চ্যালেঞ্জ আসবে তা মোকাবেলায় বিশেষ কৌশল থাকবে আসন্ন বাজেটে। গত কয়েক বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে দেশে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা হরাস পেয়েছে। কিন্তু করোনার কারণে আবার দরিদ্র মানুষের সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছে। দরিদ্র মানুষকে সুরক্ষা দিতে আগামী বাজেটে সামাজিক নিরাপত্তা বাড়ানোর ওপর জোর দেয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, খাদ্য মজুদ বাড়ানো, তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বাড়াতে কর্পোরেট কর কমানোর নির্দেশনা রয়েছে। ঈদের দু’দিন আগে গত ১১ মে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল আগামী বাজেটের সারসংক্ষেপ প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন। ওই সময় প্রধানমন্ত্রী বাস্তব ও কল্যাণমুখী বাজেট প্রণয়নের ওপর সর্বোচ্চ জোর দেন। করোনা থেকে মানুষের জীবন বাঁচানোর পাশাপাশি তাদের জীবিকা ও আয় উপার্জন যাতে ঠিক থাকে সে বিষয়টির ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়। এছাড়া করোনায় অর্থনৈতিক ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় ঘোষিত প্রণোদনা প্যাকেজ বাস্তবায়নের তাগিদ দেয়া হয়েছে। করোনার দ্বিতীয় ঢেউ থেকে অর্থনীতি পুনরুদ্ধার এবং করোনার তৃতীয় ঢেউ যদি আঘাত করে সে বিষয়েও আগাম প্রস্তুতি গ্রহণের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

চলমান মহামারীতে মানুষের জীবন ও জীবিকা নির্বাহের ওপর অগ্রাধিকার দিয়ে আগামী অর্থবছরের বাজেট প্রস্তুত করার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা রয়েছে। অর্থমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুসরণ করে বাজেট চূড়ান্ত করা হয়েছে। নতুন বাজেটে নতুন কোনো শুল্ক আরোপ করা হবে না। তবে আগামী অর্থবছরের জন্য করের জাল আরো প্রশস্ত করা হতে পারে। বৈঠকে ব্যাংক ও অন্য সংস্থাকে সহায়তা করার জন্য কর্পোরেট ট্যাক্স বাড়ানো হবে না বলেও আলোচনা করা হয়েছে। সর্বজনীনভাবে তালিকাভুক্ত সংস্থাগুলোর জন্য কর্পোরেট করের হার ২৫ শতাংশ এবং নন-তালিকাভুক্ত সংস্থাগুলোর জন্য ৩২ দশমিক ৫ শতাংশ। নিত্যপণ্যের দাম কমাতে আমদানিকৃত পণ্যসামগ্রীর ওপর কর কমানো নিয়েও আলোচনা করা হয়। একই সঙ্গে করোনার কারণে এখন মানুষ সঞ্চয়মুখী হচ্ছে না। সঞ্চয়পত্র বিক্রি কমে গেছে। এ অবস্থায় মানুষকে আবার সঞ্চয়মুখী করতে ব্যক্তিগত আয়ের করমুক্ত সীমা বাড়ানো হবে এবং সঞ্চয়পত্রের সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে।

জীবন ও জীবিকায় প্রাধান্য : আগামী বাজেটে জীবন ও জীবিকা দুটোকেই প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে। করোনা মহামারী থেকে জীবন বাঁচাতে যেমন উদ্যোগ থাকছে, তেমনি জীবিকা রক্ষায় থাকছে নানা প্রণোদনা। জীবন বাঁচাতে স্বাস্থ্য খাতে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। করোনার টিকা কেনা, টিকাদান, ব্যবস্থাপনা ও সংরক্ষণ বাবদ ১০ হাজার কোটি টাকার থোক বরাদ্দ রাখা হচ্ছে। সরকার আগামী অর্থবছরের মধ্যে ১০ কোটি মানুষকে টিকা দিতে চায়। সব মিলিয়ে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ অনেক বাড়ানো হচ্ছে। অন্যদিকে জীবিকা ঠিক রাখতে কৃষি ও শিল্পোৎপাদন বাড়ানো ও সেবা খাতের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার উদ্যোগ থাকছে। অসহায়, দুঃস্থ মানুষকে আনা হচ্ছে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায়।

এ প্রসঙ্গে পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, আগামী বাজেটে করোনার টিকাকে গুরুত্ব দিতে হবে। এ লক্ষ্যে বাজেটে অন্তত ১৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখার প্রস্তাব দিয়ে তিনি বলেন, প্রথমদিন থেকেই তা বাস্তবায়ন করতে হবে। করোনার টিকা যতদিন না হবে, ততদিন একের পর এক ঢেউ আসতে থাকবে। এছাড়া বাজেটে ঘাটতি সাত থেকে আট শতাংশ করা, আদায়যোগ্য রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা, প্রণোদনায় এসএমই খাতকে গুরুত্ব দেয়া প্রয়োজন। জানা গেছে, দারিদ্র্য নিরসনে আগামী বাজেটে সামাজিক নিরাপত্তা খাতে ১ লাখ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হবে। কোভিড-১৯ মহামারী উদ্ভূত সঙ্কট মোকাবিলায় ও এই পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত অর্থনৈতিক কর্মকা- পুনরুজ্জীবিত করে অর্থনীতিকে দ্রুত পুনর্গঠন এবং অর্থনীতির গতি পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি একটি সামগ্রিক কর্মপন্থা নির্ধারণ করা হয়। এবারো এই চারটি কৌশল এক্ষেত্রে বিবেচনায় নেয়া হয়েছে। প্রথম কৌশল সরকারি ব্যয় বৃদ্ধি করা, দ্বিতীয় কৌশল-ব্যাংক ব্যবস্থার মাধ্যমে স্বল্পসুদে ঋণ সুবিধা প্রবর্তন যাতে অর্থনৈতিক কর্মকা- পুনরুজ্জীবিত হয় এবং উদ্যোক্তাদের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধি করা, তৃতীয় কৌশল-হতদরিদ্র ও সাময়িক কর্মহীন হয়ে পড়া নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠী এবং অপ্রাতিষ্ঠানিক কর্মকা-ে নিয়োজিত জনগণকে সুরক্ষা দিতে সরকারের সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রমের আওতা বাড়ানো এবং চতুর্থ কৌশল হচ্ছে বাজারে মুদ্রা সরবরাহ বৃদ্ধি করা।

এদিকে সংসদ সচিবালয় থেকে বাজট অধিবেশনের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। করোনা মহামারীর এসময়ে এবারো এ অধিবেশনের মেয়াদ স্বল্প সময়ের হওয়ার কথা রয়েছে। ২ জুন শুরু হয়ে মুলতবি দিয়ে দিয়ে ৩ জুলাই অধিবেশন শেষ হতে পারে। আর সংক্ষিপ্ত আলোচনার পর বাজেট নিয়ম অনুযায়ী ৩০ জুনের মধ্যে পাস করা হবে। এবার বাজেটের আকার হতে পারে ৬ লাখ কোটি টাকার উপরে। চলতি (২০২০-২০২১) অর্থবছরের বাজেট ছিল ৫ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার। আর স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম বাজেট অর্থাৎ ১৯৭২-৭৩ সালে বাজেটের আকার ছিল মাত্র ৭৮৬ কোটি টাকা। দেশের প্রথম বাজেট উত্থাপন করেন তাজউদ্দীন আহমেদ। এদিকে চলতি অর্থবছরে ৫ লাখ ৬৮ হাজার বাজেট ঘোষণা হয়েছিল গত বছরের ১১ জুন। এর পর মাত্র ৯ দিনের বাজেট আলোচনা শেষে তা পাস করা হয়। এটি ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসে সংক্ষিপ্ততম বাজেট অধিবেশন। এবারো করোনা পরিস্থিতির কারণে অল্প দিনে আলোচনা শেষ করে বাজেট পাস হবে।

করোনা মহামারীর মধ্যে এবারো কঠোর স্বাস্থ্যবিধি বিধান মেনে বাজেট অধিবেশন চালানো হবে। সংক্ষিপ্ত সময়ে শেষ হবে বাজেট অধিবেশন। বিরতি দিয়ে এ অধিবেশন ১০ থেকে ১৩ কার্য দিবস চলতে পারে। এদিকে এ সংসদের দ্বাদশ অধিবেশনের শেষ কার্যদিবস অর্থাৎ ৪ এপ্রিল মারা যান ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য আসলামুল হক। ফলে ২ জুন ত্রয়োদশ অধিবেশনের প্রথম দিন প্রয়াত সংসদ সদস্যের ওপর আনীত শোক প্রস্তাবের আলোচনা শেষে অধিবেশনের মুলতবি ঘোষণা করার কথা রয়েছে। এছাড়া বাজেট পেশের পর ৪ ও ৫ জুন সাপ্তাহিক ছুটি শেষে ৬ জুন রোববারের কার্য দিবসে সংসদে ২০২০-২০২১ অর্থ বছরের সম্পূরক বাজেটের ওপর আলোচনা শুরু হবে। সম্পূরক বাজেটের ওপর আলোচনা শেষে ৭ জুন সম্পূরক বাজেট পাস করার কথা রয়েছে। এরপর বিরতি দিয়ে প্রস্তাবিত ২০২১-২০২২ অর্থবছরের ওপর আলোচনা শুরু করা হবে। আর তা ৩০ জুন বুধবার পাস হতে পারে। করোনা পরিস্থিতির কারণে সংসদ সদস্য, মন্ত্রী, সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এবারও কোভিড টেস্টের নেগেটিভ সনদ নিয়ে সংসদ সচিবালয়ে প্রবেশ করতে হবে। প্রতি ৭২ ঘণ্টা পর পুনরায় নেগেটিভ সনদ মিললেই সংসদ সদস্যগণ কেবল অধিবেশনে যোগদান করতে পারবেন। যারা ভ্যাকসিন নিয়েছেন তাদেরও কোভিড নেগেটিভ সনদ লাগবে। সংসদ সচিবালয় থেকে জানা গেছে প্রতিদিন ১১০ থেকে ১২০ জন সংসদ সদস্যকে অধিবেশনে অংশ নেয়ার আমন্ত্রণ জানানো হবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে নিরাপদ দূরত্বে বসে সংসদ অধিবেশন চলবে। এবারো গণমাধ্যমকর্মীদের সংসদ বাংলাদেশ টেলিভিশনে সরাসরি সমপ্রচার থেকে সংসদ অধিবেশন কাভার করতে হবে। তবে বাজেট পেশের দিন এবং অধিবেশন শেষ হওয়ার দিন সংসদে সাংবাদিক লাউঞ্জে প্রবেশের সুযোগ থাকতে পারে। তবে সেক্ষেত্রে করোনা নেগেটিভ সনদ লাগবে। এজন্য গতকাল মঙ্গলবার থেকে সংসদ মেডিকেল সেন্টারের পরিচালনায় কোভিড টেস্ট শুরু হয়েছে।

Check Also

শীতের পিঠা

শীতের পিঠা বিক্রি

বাগমারা সংবাদদাতা:  বাগমারার বিভিন্ন হাটবাজার ও বড় বড় রাস্তার মোড়ে এমন পিঠা তৈরির দোকান চোখে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *