Sunday , May 16 2021
Home / খবর / গাংনীর সাহারবাটি-কাথুলী সড়ক এখন মরণ ফাঁদ

গাংনীর সাহারবাটি-কাথুলী সড়ক এখন মরণ ফাঁদ

road pic3 road pic4 road pic1

স্টাফরিপোটার :গাংনী উপজেলার বিভিন্ন সড়ক এখন মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। রাসত্মার উপর ফসল মাড়াই,শাঁক সবজির ডাটা শুকানো, নির্মাণ সামগ্রী রাখা ছাড়াও গাংনী উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের সড়কে প্রতিদিন শতশত মাটি বহনকারী গাড়ী চলাচল করে।মাটি ব্যবসায়ীরা মাঠের মাটি বহন করার সময় রাসত্মার উপরে মাটি পড়ে পিচ রাসত্মা কাঁচা রাসত্মায় পরিণত হয়েছে।
ফলে মানুষের ভোগানিত্ম চরমে পৌঁছেছে।সাহারবাটি গ্রামের সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীদের স্কুলে যেতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। রাসত্মা দিয়ে চলাফেরা করা শিশুদের জন্য চরম কষ্টদায়ক।

গাংনী উপজেলার মেহেরপুর-কুষ্টিয়া সড়কের গাংনী বাজার, তেরাইল বাজার,ছাতিয়ান বাজারের দুপাশে ‘স’মিলের কাঠ ফেলে রাখাসহ বালু ব্যবসায়ীরা রাসত্মার উপর বালু রাখার কারণে চলাচল দুঃসাধ্য হয়ে পড়েছে। প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা।অনেকেই হচ্ছেন পঙ্গু। গাংনী উপজেলা প্রশাসনকে জানানো হলে বিষয়টি সমাধানে তেমন কোন পদক্ষেপ নেয়া হয়নি।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে,গাংনী উপজেলার সাহারবাটি চারচারা বাজার হয়ে হিজলবাড়ীয়া মুখি রাসত্মাসহ কাথুলী হয়ে মেহেরপুর সড়কের ২৫ কিলোমিটার রাসত্মার মধ্যে ১৫ কিলোমিটার রাসত্মা দখল করে ফসল মাড়াই, জ্বালানী কাঠ ফেলে রাখা ছাড়াও শাক সবজির ডাটা ফেলে বীজ মাড়াই করা হচ্ছে।

সাহারবাটি, ভাটপাড়া,নওপাড়া ও কুলবাড়িয়া গ্রামের রাসত্মার বেশীর ভাগ দখল করেছে কৃষকরা।সবজির কাচা ডাটার উপর দিয়ে যানবাহন চালাতে গিয়ে চালকরা দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন।এছাড়াও গাংনী বাজারের কুষ্টিয়া সড়কের অনেক স’ানে ব্যবসায়িদের বালুর স’প সিমেন্ট এর খুটিসহ দোকানের বিভিন্ন মালামাল রাখায় পথচারীদের নানা সমস্যার সৃষ্টি করছে।

মাইক্রোবাস ড্রাইভার সাইফুল ইসলাম জানান,সাহারবাটি রাসত্মায় গাড়ি চালানো অত্যনত্ম ঝুঁকিপূর্ণ।একটু এদিক ওদিক হলেই জীবনহানি ঘটতে পারে।

সাহারবাটি গ্রামের একজন কৃষক জানান,তিনি লাল শাক আবাদ করেছিলেন।শাকের বীজ মাড়াইয়ের জন্য জায়গা না থাকা ছাড়াও যানবাহনের চাকায় সহজে মাড়াই হওয়ায় তিনি রাসত্মার উপর শাকের ডাটা ছড়িয়েছেন।

এব্যাপারে গাংনী উপজেলা নির্বাহী অফিসার আর এম সেলিম শাহনেওয়াজ জানান, বিষয়টি অত্যনত্ম ঝুকিপূর্ণ।কেউ যাতে রাসত্মা দখল করে অন্যের ব্যাঘাত না ঘটাতে পারে সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস’া নেয়া হবে।

 

গাংনীতে গ্রাহকদের সঞ্চয়কৃত টাকা নিয়ে ভূয়া এনজিও’ উধাও

গাংনীর সাহারবাটি-কাথুলী সড়ক এখন মরণ ফাঁদ

আমিরুল ইসলাম অল্ডাম :  মেহেরপুরের গাংনীতে গ্রাহকদের ২লাখ টাকা ঋণ দেয়ার নামে তাদের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকার সঞ্চয় নিয়ে গণ উন্নয়ন প্রচেষ্টা নামক একটি ভূয়া এনজিও’র স্ব-ঘোষিত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উধাও হয়েছে।ধার-দেনা করা টাকায় সঞ্চয় দিয়ে এখন গাংনী উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের শতাধিক নারী-পুরম্নষ পথে বসেছে।জানা যায়,গাংনী পৌর এলাকার চৌগাছা পশ্চিম পাড়া গ্রামের রবিউল ইসলামের বাড়ি অফিস করার নামে ভাড়া নেয় গ্রামীণ উন্নয়ন প্রচেষ্টা নামক একটি এনজিও। প্রায়ই এক সপ্তাহ যাবত ওই বাড়িতে অফিসের কার্যক্রম চলে। এ সুযোগে ওই এনজিও’র নামে গাংনী উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে তাদের মাঠকর্মীরা গ্রাহক প্রতি ২ লড়্গ টাকা লোন দেয়ার আশ্বাসে তাদের কাছ থেকে লড়্গ লড়্গ টাকা সঞ্চয় নিয়ে উধাও হয়ে গেছে ।ভূয়া এনজিও’র ফাঁদে পা ফেলে পথে বসেছেন গাংনী উপজেলার ধানখোলা ইউনিয়নের নিত্যানন্দপুর গ্রামের সখোরিয়ার স্ত্রী মার্থা সরকার,আদম মন্ডলের স্ত্রী জরিনা মন্ডল,থমাস মন্ডলের স্ত্রী সপিতা মন্ডল,খোকন দফাদারের স্ত্রী ঝালু.ডেভিড সরকারের স্ত্রী ডলি সরকার,বিন্দু মন্ডলের স্ত্রী আরতি মন্ডল,হিরক মন্ডলের স্ত্রী মার্থা মন্ডল, সাইমন মন্ডলের স্ত্রী সুমিত্রা মন্ডল,ডেভিড মন্ডলসহ অনেকে। এছাড়াও উপজেলার তেঁতুলবাড়ীয়া এলাকায় অনেকের সাথে টাকা নিয়েছে বলে জানা গেছে।
গাংনী উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরএম সেলিম শাহনেওয়াজ জানান,বিষয়টি শুনেছি মাত্র। তবে এখনও পর্যনত্ম কেউ লিখিত অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে,তদনত্ম সাপেড়্গে ব্যবস’া নেয়া হবে।

 

Check Also

ঘরমুখী যাত্রীদের চাপ

ঈদের পরদিন কর্মস্থলমুখী ও ঘরমুখী যাত্রীদের চাপ বাড়ছে

ছবি: সংগৃহীত। মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাটে ঈদের পরদিন কর্মস্থলমুখী ও ঘরমুখী যাত্রীদের চাপ বাড়ছে। আবার ঈদের আগে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *