Sunday , June 20 2021
Breaking News
Home / খবর / বিজয়ের মাস আজ ৭ ডিসেম্বর

বিজয়ের মাস আজ ৭ ডিসেম্বর

বিজয়ের মাস ডিসেম্বর

স্টাফ রিপোর্টার :  আজ ৭ ডিসেম্বর। ১৯৭১ সালের এই দিনে গোপালগঞ্জ শহর পাকিস্তান হানাদার বাহিনী মুক্ত হয়। গোপালগঞ্জ মুক্ত হওয়ার আগে এই অঞ্চলে পাকিস্তান বাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ

লড়াই হয়। জানা গেছে, পাকিস্তানের সেনারা ৬ ডিসেম্বর গভীর রাতে গোপালগঞ্জ সদর থানা উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন বর্তমানের জয় বাংলা পুকুর পাড়ের মিনি ক্যান্টনমেন্ট ছেড়ে পালায়। ৭ ডিসেম্বর ভোরে স্বাধীন বাংলাদেশের লাল-সবুজের পতাকা উত্তোলন করে মুক্তিযোদ্ধারা। গোপালগঞ্জে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয় ২৭ মার্চ থেকেই। মুসলিম লীগ নেতাদের সহযোগিতায় পাকিস্তান বাহিনী ৩০ এপ্রিল শহরে প্রবেশ করে। তারা প্রথমেই শহরের ব্যাংক পাড়ায় শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়ি পুড়িয়ে দেয়। এরপর তারা কয়েকটি দলে বিভক্ত হয়ে শহরের হিন্দু সমপ্রদায়ের বাড়ির অবস্থান জেনে স্বর্ণপট্টি, সাহাপাড়া, সিকদারপাড়া, চৌরঙ্গী ও বাজার রোডে লুটপাট করে আগুন দেয়। এ সময় প্রায় এক হাজার ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেয়াসহ হত্যা ও নারী ধর্ষণ করে।

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে হানাদার বাহিনী মিনি ক্যান্টনমেন্টে সাধারণ মানুষকে ধরে নিয়ে হত্যা করে গণকবর দেয়। ৬ ডিসেম্বর ভোরে বিভিন্ন এলাকা থেকে দলে দলে মুক্তিযোদ্ধারা শহরের দিকে আসতে থাকে। চারদিক থেকে মুক্তিযোদ্ধারা বলয় সৃষ্টি করে। এদিকে ভারত প্রবাসী মুক্তিযোদ্ধাদের স্বীকৃতি দেয়ায় এখানকার হানাদার বাহিনীর মনোবল আরো ভেঙে পড়ে। তাই তারা পালিয়ে যায়।আজ ৭ ডিসেম্বর। ১৯৭১ সালের এই দিনে গোপালগঞ্জ শহর পাকিস্তান হানাদার বাহিনী মুক্ত হয়। গোপালগঞ্জ মুক্ত হওয়ার আগে এই অঞ্চলে পাকিস্তান বাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ

লড়াই হয়। জানা গেছে, পাকিস্তানের সেনারা ৬ ডিসেম্বর গভীর রাতে গোপালগঞ্জ সদর থানা উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন বর্তমানের জয় বাংলা পুকুর পাড়ের মিনি ক্যান্টনমেন্ট ছেড়ে পালায়। ৭ ডিসেম্বর ভোরে স্বাধীন বাংলাদেশের লাল-সবুজের পতাকা উত্তোলন করে মুক্তিযোদ্ধারা। গোপালগঞ্জে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয় ২৭ মার্চ থেকেই। মুসলিম লীগ নেতাদের সহযোগিতায় পাকিস্তান বাহিনী ৩০ এপ্রিল শহরে প্রবেশ করে। তারা প্রথমেই শহরের ব্যাংক পাড়ায় শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়ি পুড়িয়ে দেয়। এরপর তারা কয়েকটি দলে বিভক্ত হয়ে শহরের হিন্দু সমপ্রদায়ের বাড়ির অবস্থান জেনে স্বর্ণপট্টি, সাহাপাড়া, সিকদারপাড়া, চৌরঙ্গী ও বাজার রোডে লুটপাট করে আগুন দেয়। এ সময় প্রায় এক হাজার ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেয়াসহ হত্যা ও নারী ধর্ষণ করে।

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে হানাদার বাহিনী মিনি ক্যান্টনমেন্টে সাধারণ মানুষকে ধরে নিয়ে হত্যা করে গণকবর দেয়। ৬ ডিসেম্বর ভোরে বিভিন্ন এলাকা থেকে দলে দলে মুক্তিযোদ্ধারা শহরের দিকে আসতে থাকে। চারদিক থেকে মুক্তিযোদ্ধারা বলয় সৃষ্টি করে। এদিকে ভারত প্রবাসী মুক্তিযোদ্ধাদের স্বীকৃতি দেয়ায় এখানকার হানাদার বাহিনীর মনোবল আরো ভেঙে পড়ে। তাই তারা পালিয়ে যায়।

Check Also

মোল্লাহাটে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত

মোল্লাহাটে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত

মিয়া পারভেজ আলম (বাগেরহাট) প্রতিনিধি ঃ “শেখ হাসিনার বার্তা, নারী পুরুষ সমতা” ও “নারী পুরুষ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *