Wednesday , July 28 2021
Breaking News
Home / খবর / সব রাজনৈতিক দলের মনোনয়ন ফরম কেনার হিড়িক

সব রাজনৈতিক দলের মনোনয়ন ফরম কেনার হিড়িক

মনোনয়ন

আওয়ামী লীগসহ ১৪ দল, জাতীয় পার্টি, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট, বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলসহ প্রায় সব রাজনৈতিক দল অংশ নিচ্ছে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে। বিএনপিসহ জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট এবং ২০ দলীয় জোট নির্বাচনে অংশ নেয়ার ঘোষণার পর পাল্টে গেছে রাজনৈতিক দৃশ্যপট। গোটা দেশই এখন নির্বাচনমুখী। প্রায় সর্বত্রই বিরাজ করছে নির্বাচনী আমেজ। নির্বাচনী প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে সব রাজনৈতিক দল ঘটা করে বিক্রি করছে দলীয় মনোনয়ন ফরম। ফলে মনোনয়নপ্রত্যাশী হাজারও নেতার সমাগম ঘটেছে দলীয় অফিসে। তারা নিজ নিজ অনুসারীদের নিয়ে যাচ্ছেন দলীয় কার্যালয়ে। কেউ ব্যান্ড পার্টি ও ঢাকঢোল পিটিয়ে আবার কেউ গাড়িসহ মোটরসাইকেল শোভাযাত্রাসহ, আবার কেউ নানা সাজে দলীয় প্রতীক বহন করছেন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত সোমবার আওয়ামী লীগ চার দিনে প্রায় ৪ হাজার ২৩টি দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রি করেছে। বিএনপি একদিনেই বিক্রি করেছে ১৩২৬টি। জাতীয় পার্টি দুই দিনে ১১১৫টি ফরম বিক্রি করেছে।

চার দিনে ৪০২৩ ফরম বিক্রি আ’লীগের

উৎসবমুখর পরিবেশে দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রি শেষ করেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। মনোনয়নপ্রত্যাশীদের কাছে চার দিনে মোট ৪ হাজার ২৩টি ফরম বিক্রি হয়েছে। এতে মোট আয় হয়েছে ১২ কোটি ৬ লাখ ৯০ হাজার টাকা। মনোনয়ন ফরম কেনার শেষ দিন ছিল সোমবার। একদিন বাড়ানোয় জমা দেয়ার মেয়াদ শেষ হবে আজ মঙ্গলবার। শুক্রবার থেকে দলীয় ফরম বিক্রি শুরু হয়। সোমবার রাতে আওয়ামী লীগের সভাপতির ধানমণ্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ সাংবাদিকদের এসব তথ্য দেন। এদিকে মনোনয়ন ফরম কেনা কেন্দ্র করে সোমবারও ধানমণ্ডির কার্যালয়ে উপচে পড়া ভিড় ছিল। মনোনয়ন ফরম নিতে হাজার হাজার নেতাকর্মীর আগমনে পুরো এলাকায় যানজটের সৃষ্টি হয়। ফলে মানুষের দুর্ভোগ বাড়ে। মাহবুবউল আলম হানিফ সাংবাদিকদের বলেন, ফরম বিক্রি শেষ হলেও মঙ্গলবার পর্যন্ত জমা দেয়া যাবে। তিনি বলেন, সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ডের বাছাইয়ের মাধ্যমে প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করা হবে। একদিনেই এ প্রক্রিয়া শেষ হবে- এমনটি বলা যাচ্ছে না। এতে সময় লাগবে। এছাড়া আওয়ামী লীগ একা নয়, জোট, মহাজোট রয়েছে।

এ সময় আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম বিতরণ ও জমা দেয়াকে কেন্দ্র করে দুর্ভোগের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন হানিফ। দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনি, জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, আহমদ হোসেন, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, উপদফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য আখতারুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ২ হাজার ৬০৮ জন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম কিনেছিলেন। ফরমের দাম ছিল ২৫ হাজার টাকা। ফরম বিক্রি থেকে আওয়ামী লীগের তহবিলে জমা পড়েছিল ৬ কোটি ৫২ লাখ টাকা। এবার ফরমের দাম বাড়িয়ে ৩০ হাজার টাকা করা হয়েছে। এই খাত থেকে আওয়ামী লীগের তহবিলে জমা পড়েছে ১২ কোটি ৬ লাখ ৯০ হাজার টাকা।

মনোনয়ন ফরম বিক্রির ভিড় সামলাতে সেখানে মোতায়েন ছিল অতিরিক্ত পুলিশ। স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করেছেন স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতাকর্মীরা। মাইকে দেয়া হয়েছে বিভিন্ন ধরনের দিকনির্দেশনা। তবে একজন মনোনয়নপ্রত্যাশীর সঙ্গে সর্বোচ্চ পাঁচজন করে ভেতরে প্রবেশ করতে বলা হলেও বেশির ভাগই মানেননি সেই নির্দেশনা। ফলে কার্যালয়ের প্রবেশপথে জটলা আরও বেড়ে যায়।

মনোনয়ন কিনে আলোচিত যারা : চার দিনে একই পরিবারের একাধিক সদস্য, তারকা খেলোয়াড়, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, অর্থনীতিবিদ, আমলা, চলচ্চিত্র অভিনেতাসহ বিভিন্ন স্তরের নেতা মনোনয়ন ফরম কিনে জমা দিয়েছেন। তাদের মধ্যে দুই ভাই, বাবা-ছেলে, বাবা-মেয়ে, শ্বশুর-জামাই, ভাই-বোন, স্বামী-স্ত্রীও আছেন। তাদের মধ্যে অন্যতম সিলেট-১ আসনে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ও তার ভাই ড. একে আবদুল মোমেন আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন ফরম কিনেছেন। চাঁদপুর-২ আসন থেকে মনোনয়ন পেতে অবিভক্ত ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া এবং তার ছেলে সাজেদুল হোসেন চৌধুরী দিপু মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন। কিশোরগঞ্জ-১ আসনে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের পক্ষে ব্যক্তিগত সহকারী তোফাজ্জল হোসেন মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন। একই আসনে আশরাফের ভাই সৈয়দ শাফায়েতুল ইসলাম আওয়ামী লীগের ফরম সংগ্রহ করেছেন। এছাড়া রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের ছেলে রাসেল আহমেদও মনোনয়ন ফরম কিনেছেন।

সিরাজগঞ্জ-১ আসনে শুক্রবার আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের পাশাপাশি ফরম সংগ্রহ করেন তার ছেলে তানভীর শাকিল জয়। জয় নবম জাতীয় সংসদে এই আসনে সংসদ সদস্য ছিলেন। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন কিনে নতুন অঙ্গনে আবির্ভাবের কারণে আলোচনায় এসেছেন বাংলাদেশ ওয়ানডে ক্রিকেট দলের অধিনায়ক মাশরাফি মুর্তজা। নৌকা প্রতীকের জন্য তার মনোনয়ন ফরম সংগ্রহের বিষয়টি ছিল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। রোববার সকালে গণভবন গিয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করার পর নড়াইল-২ আসনের জন্য দলীয় মনোনয়ন ফরম কেনেন তিনি। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের হাত থেকে তিনি মনোনয়ন ফরম নেন।

এছাড়া জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের হয়ে ফেনী-৩ আসনে (সোনাগাজী-দাগনভূঞা) নির্বাচন করতে চান লে. জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী। শনিবার মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করে তা জমাও দিয়েছেন এক-এগারোর আলোচিত এ ব্যক্তি। ওই সময় গুরুতর অপরাধ দমনসংক্রান্ত জাতীয় কমিটির প্রধান সমন্বয়কারী ছিলেন তিনি। এছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন হবিগঞ্জ-৪ আসন থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন।

কুমিল্লা-৭ আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি প্রাণ গোপাল দত্ত। পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক নূর মোহাম্মদ কিশোরগঞ্জ-২ আসন থেকে নির্বাচন করার জন্য আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন।

মনোনয়ন ফরম বিক্রি মনিটরিং করেছেন সংশ্লিষ্ট বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদকরা। এছাড়া তাদের সঙ্গে আরও ছিলেন কয়েকজন সদস্য।

বিএনপির মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু

তিন আসনে লড়বেন খালেদা জিয়া

প্রথমদিনে বিক্রি ১৩২৬টি ফরম

দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রির মধ্য দিয়ে নির্বাচনী কার্যক্রম শুরু করেছে মাঠের বিরোধী দল বিএনপি। সোমবার সকালে দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জন্য তিনটি মনোনয়ন ফরম সংগ্রহের মধ্য দিয়ে এ কার্যক্রম শুরু হয়। এরপর দেশের বিভিন্ন নির্বাচনী আসন থেকে সম্ভাব্য প্রার্থীরা তাদের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন। মনোনয়ন ফরম বিক্রি কেন্দ্র করে নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। দীর্ঘদিন সুনসান কার্যালয়টি নেতাকর্মীদের পদচারণায় প্রাণ ফিরে পায়। বেলা বাড়ার সঙ্গে নেতাকর্মীদের ভিড় কার্যালয়ের সামনের সড়ক ছাড়িয়ে আশপাশে ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে নয়াপল্টনের কার্যালয়ের সামনের সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় নেতাকর্মীরা খালেদা জিয়ার মুক্তিসহ নানা স্লোগান দেন।

সোমবার রাত ৮টা পর্যন্ত আট বিভাগে মোট ১৩২৬টি মনোনয়ন ফরম বিক্রি করেছে বিএনপি। সকাল পৌনে ১১টার দিকে ৬টি বুথে প্রথমদিনের মতো দলের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের কাছে ফরম বিক্রি শুরু হয়। ফরমের মূল্য ধরা হয়েছে পাঁচ হাজার টাকা। জমা দিতে লাগবে ২৫ হাজার টাকা। মনোনয়ন ফরম কেনা জমার সময় ১৪ থেকে বাড়িয়ে ১৬ নভেম্বর পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়।

সকাল ১০টায় কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আসেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। পৌনে এগারটায় তিনি (মহাসচিব) ফেনী-১ আসনের জন্য দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নামে মনোনয়নপত্রের ফরম সংগ্রহ করে ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টুর হাতে তুলে দেন। এরপর বগুড়া-৬ আসন থেকে দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার পক্ষে মনোনয়ন সংগ্রহ করেন স্থায়ী কমিটির নেতা নজরুল ইসলাম খান। বগুড়া-৭ আসনের জন্য দলের চেয়ারপারসনের জন্য মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য মির্জা আব্বাস। চেয়ারপারসনের পর ঠাকুরগাঁও-১ আসনে নিজের জন্য মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। চেয়ারপারসনের পক্ষে ফরম কেনার সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহজাহান, ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নাল আবেদিন, যুগ্ম-মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, ফজলুল হক মিলন, রেহেনা আক্তার রানু, শহিদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানী প্রমুখ।

এ সময় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ এখন পর্যন্ত কিছুই নেই; বরং আমাদের নেতাকর্মীদের গ্রেফতার চলছেই। পরিবেশ সৃষ্টি না হলে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত আমরা অবশ্যই পুনর্বিবেচনা করব। তিনি বলেন, আমরা বারবার বলেছি, এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ আন্দোলনেরই অংশ। এর মধ্য দিয়ে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করব এবং দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করব।

মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করলেন যারা : বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন কুমিল্লা-১ থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন। তার ছেলে দলের নির্বাহী কমিটির সদস্য খন্দকার মারুফ হোসেনও একই আসন থেকে ফরম কেনেন। ফরিদপুর-৩ (সদর) থেকে সাবেক মন্ত্রী চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ ও যুবদল নেতা মাহবুবুল হাসান ভুঁইয়া পিংকু মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন। কয়েক হাজার নেতাকর্মী নিয়ে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করতে আসেন ঢাকা-১৭ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী জামান কামাল। তিনি যুগান্তরকে বলেন, ঢাকা-১৭ সংসদীয় আসনের নেতাকর্মীরা তার সঙ্গে রয়েছেন। দীর্ঘদিন এ এলাকায় বসবাস করায় প্রতিটি শ্রেণী-পেশার সঙ্গে তার সুসম্পর্ক রয়েছে। হাই কমান্ড মনোনয়ন দিলে এ আসনটি পুনরুদ্ধার করতে পারব।

ঢাকা বিভাগে প্রথম ফরমটি কেনেন বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ। মুন্সীগঞ্জ-২ আসনের জন্য তিনি ফরম সংগ্রহ করেন। চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম ঢাকা-১৩, গাজীপুর-২ আসন থেকে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সদর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. সোহরাব উদ্দিনের পক্ষ থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করা হয়। নরসিংদী-৩ (শিবপুর) থেকে বিএনপির গণশিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া, মাদারীপুর-৩ থেকে খন্দকার মাশুকুর রহমান ও আসাদুজ্জামান পলাশ, মাদারীপুর-২ বিপ্লব বৈদ্য, শামা ওবায়েদ ফরিদপুর-২, আজিজুল বারী হেলাল খুলনা-৪, আমিরুজ্জামান খান শিমুল ঝিনাইদহ-৩, আবদুল লতিফ জনি ফেনী-৩, রাজিয়া আলীম ঢাকা-৭, শিরিন সুলতানা ঢাকা-৮, মুন্সীগঞ্জ-১ আসনে মীর সরাফত আলী সপু, ঢাকা-৪ আ ন ম সাইফুল, ঢাকা-৫ নবী উল্লাহ নবী, ঢাকা-৬ সাদেক হোসেন খোকার ছেলে ইশরাক হোসেন, ঢাকা-১১ এমএ কাইয়ুম, ঢাকা-১৬ আহসান উল্লাহ হাসান, ঢাকা-১৪ এসএ সিদ্দিক সাজু, বজলুল বাসিত আঞ্জু, মৌলভীবাজার-২ আবেদ রাজা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ রফিক সিকদার, কারাগারে থাকা বিএনপি নেতা সাবেক এমপি আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকীর জন্য টাঙ্গাইল-৭ আসনের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন তার স্ত্রী ফাতেমা আজাদ। নওগাঁ-৬ আসন থেকে মনোনয়ন ফরম কিনেছেন সাংবাদিক মামুন স্টালিন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ সালাহউদ্দিন ভূঁইয়া শিশির, যশোর-১ মফিকুল হাসান তৃপ্তি, ময়মনসিংহ-৬ আখতারুল আলম ফারুক, মুন্সীগঞ্জ-৩ আবদুল হাই, মো. মনিরুজ্জামান মনির বরগুনা-২, এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আফতাফ হোসেন চৌধুরী পটুয়াখালী-১, মিসেস সুরাইয়া চৌধুরী (পটুয়াখালী-১), ইসমাত সুলতানা ইলেন ভুট্টু ঝালকাঠি-২, আ ক ন কুদ্দুসুর রহমান বরিশাল-১, মেজর (অব.) হাফিজউদ্দিন আহমদ ভোলা-৩, এবাদুল হক চাঁন বরিশাল-৫, সরফুদ্দিন আহাম্মেদ সান্টু বরিশাল-২, নজরুল ইসলাম খান পিরোজপুর-১, শাহ মো. আবুল হোসেন বরিশাল-৪, শহিদুল আলম তালুকদার পটুয়াখালী-২, হাফিজ ইব্রাহীম ভোলা-২, সেলিমা রহমান বরিশাল-৩, ব্যারিস্টার মনিরুজ্জামান আসাদ বরিশাল-৩, সৈয়দ শহিদুল হক জামাল বরিশাল-২, সৈয়দ শহিদুল হক জামাল পিরোজপুর-১, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন ঝালকাঠি-২, মো. আসিফ আলতাফ ভোলা-১, কেএম কামরুজ্জামান নান্নু বরিশাল-৬, নাজিমুদ্দিন আলম ভোলা-৪, গাজী কামরুল ইসলাম সজল বরিশাল-১, মো. নুরুল ইসলাম নয়ন ভোলা-৪, আবদুল আউয়াল মিন্টু ফেনী-৩, হেফাজ উদ্দিন চৌধুরী ফেনী-১, অধ্যাপক জয়নাল আবেদিন ভিপি ফেনী-২, লুৎফর রহমান কাজল কক্সবাজার-৩, এস আবদুল হামিদ চট্টগ্রাম-৩, মো. আশ্রাফ উদ্দিন চট্টগ্রাম-৩, মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন চট্টগ্রাম-৫, মনির আহমেদ লক্ষ্মীপুর-১, শহীদুল ইসলাম চৌধুরী (হিরু চৌ.) লক্ষ্মীপুর-২, কর্নেল (অব.) ড. আবদুল মজিদ লক্ষ্মীপুর-২, মো. মাহবুবুল হক রিপন ফেনী-৩, আবুল হাসেম বুলবুল ফেনী-১, আলহাজ মো. নুর নবী ভূঞা ফেনী-১, আলহাজ মো. নুর নবী ভূঞা ফেনী-২, এওয়াইবিআই সিদ্দিকী চট্টগ্রাম-৪, খামলাই ম্রো বান্দরবান-১, বজলুল করিম চৌধুরী আবেদ নোয়াখালী-৫, আবু মোহাম্মদ নিপার চট্টগ্রাম-১৩, ফজলুর রহমান বকুল ফেনী-২, মেজবাউল মিল্লাত ফেনী-৩, মোহাম্মদ ফজলুল আজিম নোয়াখালী-৬, মেজর (অব.) মো. রেজাউল হক নোয়াখালী-৩, মো. কামাল উদ্দিন চট্টগ্রাম-৮, ব্যারিস্টার মনির হোসেন কাজল নোয়াখালী-১, মো. আবুল কাসেম রাজু ফেনী-৩, নাজিম উদ্দিন আহমেদ লক্ষ্মীপুর-১, মো. আবদুর রহিম লক্ষ্মীপুর-১, মো. সাহাব উদ্দিন লক্ষ্মীপুর-১, মো. মহিন উদ্দিন নোয়াখালী-৬, মোহাম্মদ ইদ্রিস মিয়া চট্টগ্রাম-১২, সরওয়ার জামাল নিজাম চট্টগ্রাম-১৩, মিনার চৌধুরী ফেনী-১, ব্যারিস্টার শাকিলা ফারজানা চট্টগ্রাম-৫, আবুল খায়ের ভূঞা লক্ষ্মীপুর-২, ফয়সাল মাহমুদ ফয়জী চট্টগ্রাম-২, জিয়া আহম্মদ মিষ্টার ফেনী-২, অ্যাডভোকেট আবু তাহের ফেনী-২, আবদুল মমিন লক্ষ্মীপুর-৪, গোলতাজ বেগম চট্টগ্রাম-১১, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ নোয়াখালী-৫, মো. আকবর হোসেন ফেনী-৩, মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ চট্টগ্রাম-১, এসএম আতিকুল ইসলাম লতিফি চট্টগ্রাম-১, মো. মঈন উদ্দিন চট্টগ্রাম-১, আবদুল্লাহ আল নোমান চট্টগ্রাম-১০, কাজী মো. মফিজুর রহমান নোয়াখালী-২, শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী লক্ষ্মীপুর-৩, দিদারুল ইসলাম মাহমুদ চট্টগ্রাম-৪, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাছির উদ্দিন (অব.) ফেনী-৩, এরশাদ উল্ল্যাহ চট্টগ্রাম-৮, শামসুল আলম চট্টগ্রাম-৯, সোয়েব রিয়াদ চট্টগ্রাম-৯, মো. জাবেদ রেজা বান্দরবান, মাম্যাচিং বান্দরবান, মোহাম্মদ নুরুল মোস্তফা চট্টগ্রাম-৩, মোস্তফা কামাল পাশা চট্টগ্রাম-৩, মো. রফিউল ইসলাম ফেনী-৩, হাবিবুর রহমান নান্টু ফেনী-১, শাহজাহান চৌধুরী কক্সবাজার-৪, শাহানারা বেগম লক্ষ্মীপুর-২, গিয়াস কাদের চৌধুরী চট্টগ্রাম-২, গিয়াস কাদের চৌধুরী চট্টগ্রাম-৬, গিয়াস কাদের চৌধুরী চট্টগ্রাম-৭, সারোয়ার আলমগীর চট্টগ্রাম-২, একেএম আবু তাহের চট্টগ্রাম-৪, মো. কুতুব উদ্দিন বাহার চট্টগ্রাম-৭, গাজী মো. শাহাজাহান জুয়েল চট্টগ্রাম-১২ এবং ড. এমরান চৌধুরী চট্টগ্রাম-১ আসনে মনোনয়ন ফরম কিনেছেন। অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী মাগুরা-২, খায়রুল কবির খোকন নরসিংদী-১, আনোয়ার হোসেন উজ্জ্বল রাজশাহী-৬, ফরহাদ হোসেন আজাদ পঞ্চগড়-২, শাহিদা আক্তার রীতা জামালপুর-১, দুলাল হোসেন বরিশাল-২, মাসুদ অরুন মেহেরপুর-১।

বিএনপি থেকে মনোনয়ন ফরম কিনেছেন খ্যাতনামা কণ্ঠশিল্পীরা। এদের মধ্যে আছেন রুমানা মোর্শেদ কনকচাঁপা, বেবী নাজনীন ও মনির খান। বেলা ৩টার দিকে মনোনয়ন ফরম কেনেন কনকচাঁপা। তিনি সিরাজগঞ্জ-১ (কাজীপুর) থেকে বিএনপির হয়ে নির্বাচন করবেন। সাড়ে ৩টার দিকে মনোনয়ন কেনেন কণ্ঠশিল্পী মনির খান। তিনি ঝিনাইদহ-৩ আসন থেকে নির্বাচন করবেন। মনির খান দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। নীলফামারী-৪ (সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ) থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন কণ্ঠশিল্পী বেবী নাজনীন। বেলা ১টা ১৫ মিনিটে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর কাছ থেকে ফরম নেন। এ সময় বেবী নাজনীন বলেন, ‘এ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছি আমাদের মা খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে।’ জাসাসের সাধারণ সম্পাদক চিত্রনায়ক হেলাল খান সিলেট-৬ ও চিত্র নায়িকা শায়লা ফরিদপুর-৪ থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন।

নেতাকর্মীদের পদচারণায় মুখর কেন্দ্রীয় কার্যালয় : নির্ধারিত সভা-সমাবেশ বা কোনো কর্মসূচি ছাড়া নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে থাকত কার্যত নেতাকর্মী শূন্য। গ্রেফতারের ভয়ে অনেকেই কার্যালয়মুখী হতেন না। সেখানে অবস্থান করে দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী নিয়মিত সাংবাদিকদের নানা বিষয়ে ব্রিফ করতেন। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে নেতাকর্মীদের ঢল দেখা গেলেও নয়াপল্টন ছিল সুনসান নীরব। কিন্তু রোববার নির্বাচনে যাওয়ার ঘোষণা দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে পাল্টে যায় চিত্র। রোববার দুপুরের পর থেকেই কার্যালয়ে নেতাকর্মীদের ভিড় বাড়তে থাকে। আর সোমবার মনোনয়ন ফরম বিক্রির শুরুর দিন সেখানে নেতাকর্মীদের ঢল নামে। উৎসবমুখর পরিবেশ লক্ষ করা যায়। কার্যালয়ের নিচতলার একটি চায়ের দোকানেও এতদিন বেচাকেনা তেমন ছিল না। কিন্তু সোমবার শুধু কার্যালয়ের নিচে নয়, আশেপাশের অলিগলির চায়ের দোকানেও ছিল উপচে পড়া ভিড়। নেতাকর্মী ও সমর্থকদের চা-পান দিতে হিমশিম খেতে হয়।

সাংবাদিকদের জিএম কাদের

আ’লীগের কাছে ১০০ আসন চাইবে জাতীয় পার্টি

দুই দিনে ১১১৫টি মনোনয়ন ফরম বিক্রি * পুনঃতফসিলকে ইতিবাচক মনে করে জাতীয় পার্টি

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের কাছে ১০০ আসন চাইবে জাতীয় পার্টি। দলের কো-চেয়ারম্যান জিএম কাদের সোমবার বনানীতে পার্টি চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, আওয়ামী লীগের কাছে ১০০ আসন চেয়ে দরকষাকষি হবে। সম্মানজনক আসন পেলে আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোটবদ্ধ নির্বাচনে যাব। জিএম কাদের বলেন, এবারের নির্বাচনেও জাতীয় পার্টি লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করবে।

দলের কো-চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমরা আওয়ামী লীগের কাছে ১০০ আসন চেয়েছি। আমরা চাই, তারা আমাদের সম্মানজনক আসন দেবে।’ তিনি বলেন, ‘আমাদের চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের কাছে শুনেছি, শরিকদের ৭০টি আসন দিতে চায় আওয়ামী লীগ।’

জিএম কাদের বলেন, ‘আসন নিয়ে ওই দলের নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে চূড়ান্ত কথা হয়নি। আমরা সম্মানজনক আসন চাইছি। এটি হলেই আওয়ামী লীগের সঙ্গে নির্বাচনে যাব।’ প্রতীক নিয়ে জানতে চাইলে জিএম কাদের বলেন, ‘আমরা লাঙ্গল প্রতীক নিয়েই নির্বাচনে যাব।’

জিএম কাদের বলেছেন, জাতীয় পার্টির প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা আছে, তাই এ দলের প্রতি তাদের প্রত্যাশাও বেশি। আর এ কারণেই জাতীয় পার্টি গণমানুষের জন্য দায়িত্বশীল রাজনীতি করছে। তিনি বলেন, সব দলের অংশগ্রহণে নির্বাচন উৎসবমুখর হবে। নির্বাচন কমিশন সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে তফসিলও পুনঃনির্ধারণ করেছে। এটিকে জাতীয় পার্টি ইতিবাচকভাবেই দেখছে।

তিনি বলেন, সাধারণ মানুষ নিরাপত্তা আর সুশাসনের নয় বছর এখনও মনে রেখেছে। তখন বেকারত্ব ও দুর্নীতি, সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য ছিল না। ছিল নিরাপত্তা এবং রাজনৈতিক সহনশীলতা। তাই দেশের মানুষ এবার লাঙ্গলে ভোট দিতে অপেক্ষা করে আছে। প্রার্থী বাছাই প্রসঙ্গে জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান জিএম কাদের বলেন, যারা জনপ্রিয় এবং দেশ ও দশের মঙ্গলে অবদান রাখতে পারবে তাদেরই মনোনয়ন দেয়া হবে।

দ্বিতীয় দিনের মতো সোমবারও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের বনানী অফিস থেকে মনোনয়ন ফরম বিতরণ করা হয়েছে। সকাল ১০টা থেকে মনোনয়ন ফরম বিতরণ শুরু হলেও সকাল থেকেই সম্ভাব্য প্রার্থীরা সমর্থকদের নিয়ে মিছিলে-মিছিলে মুখর করে তোলে পুরো এলাকা। এ সময় তারা হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ এবং লাঙ্গল প্রতীকে ভোট চেয়ে স্লোগান দেয়। সোমবার দ্বিতীয় দিনে মোট ৫৬২টি মনোনয়ন ফরম বিক্রি হয়েছে। আগের দিন এই সংখ্যা ছিল ৫৫৩। দুই দিনে মোট ১১১৫টি মনোনয়ন ফরম বিক্রি হয়।

গতকাল যারা মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন তাদের মধ্যে রয়েছেন- জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক দেলোয়ার হোসেন, সাইদুর রহমান টেপা, শেখ মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম, মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী, মীর আবদুস সবুর আসুদ, আতিকুর রহমান আতিক, এটিইউ তাজ রহমান, ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী এমপি, কেন্দ্রীয় নেতা আবদুল মুনিম চৌধুরী বাবু এমপি, অ্যাডভোকেট মহম্মদ আলতাফ আলী এমপি, মেজর (অব.) রানা মোহাম্মদ সোহেল, মোস্তফা আল মাহমুদ, মো. মহিবুল্লাহ, হাসান মঞ্জুর, খোরশেদ আলম খুশু, হিরো আলম প্রমুখ।

মনোনয়ন ফরম বিতরণের সময় বাড়াল : মনোনয়ন ফরম বিতরণের সময় আরও দু’দিন বাড়িয়েছে জাতীয় পার্টি। ১৩ নভেম্বর ছাড়াও ১৪ ও ১৫ নভেম্বর মনোনয়ন ফরম বনানী অফিস থেকে বিতরণ করা হবে। ১৬ নভেম্বর চেয়ারম্যানের বনানী কার্যালয়ে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নেয়া হবে। এরশাদের ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি খন্দকার দেলোয়ার জালালী স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়টি জানানো হয়।

 

 

Check Also

২৫০টি মোবাইল ভেন্টিলেটর মেশিন

২৫০টি মোবাইল ভেন্টিলেটর মেশিন উপহার হিসেবে পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী একদল চিকিৎসক।

ছবি: সংগৃহীত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আহ্বানে সাড়া দিয়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের চিকিৎসা সেবা দিতে ২৫০টি মোবাইল …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *