Monday , December 6 2021
Home / বাংলাদেশ / আইন ও বিচার / পুলিশের এসিসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা তদন্তের নির্দেশ

পুলিশের এসিসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা তদন্তের নির্দেশ

স্টাফ রিপোর্টার : ডেমরা জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) ইফতেখারুল ইসলাম ও ১১ পুলিশ সদস্যসহ মোট ১৪ জনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অভিযোগে করা মামলার তদন্ত করতে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। গতকাল বুধবার ঢাকা মহানগর হাকিম খুরশীদ আলম রাজধানীর ওয়ারী জোনের ডিসিকে এ আদেশ দেন।
মামলার আসামিরা হলেন যাত্রাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (প্রশাসন) আনিসুর রহমান, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) তোফায়েল আহমেদ, এসআই জাকির হোসেন, ওমর ফারুক, কবির হোসেন উকিল, শাহীন পারভেজ, লক্ষ্মীকান্ত রায়, শহীদুল্লাহ, কেএম এনায়েত হোসেন, এএসআই আতোয়ার রহমান, কনস্টেবল সাইফুল, পুলিশের সোর্স খোকন ও সুমন। গত ১২ জুলাই শাহানা আক্তার নামে এক নারী এ মামলা করেন। ঐ দিন বিচারক বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে ১৯ জুলাই আদেশের জন্য দিন ধার্য করেছিলেন।

দায়ের করা মামলায় জানা যায়, শাহানা আক্তারের স্বামী ফরমান উল্লাহ সাংবাদিকতা পেশায় জড়িত ছিলেন। পরবর্তীতে তিনি সাংবাদিকতা পেশা ছেড়ে দেন। কিন্তু তিনি দেখতে পান যাত্রাবাড়ী থানার কিছু পুলিশ সদস্য পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী এবং স্থানীয় সন্ত্রাসীদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে নিরীহ মানুষদের মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে। এরপর গত ৫ মে, ৮ জুন ও গত ১৬ জুন ডাকযোগে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ পুলিশের বিভিন্ন দফতরে পৃথক ৩টি অভিযোগ করেন। অভিযোগের বিষয়ে জানতে পেরে আসামিরা তাকে ফোন করে অভিযোগ প্রত্যাহার করে নিতে বলেন। তা না হলে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর হুমকিও দেয়া হয়। এরপর গত ২১ জুন শাহানার স্বামীকে ওয়ারী থানাধীন রাজধানী সুপার মার্কেট থেকে আসামিরা তাকে টেনেহিঁচড়ে যাত্রাবাড়ী থানায় নিয়ে যায়। পরে শাহানা ওয়ারী জোনের ডিসি ফরিদকে বিষয়টি জানালে তিনি আসামি ইফতেখারুলকে ফোন করে তাকে ছেড়ে দিতে বলেন এবং শাহানাকে থানায় গিয়ে তার স্বামীকে নিয়ে আসতে বলেন।

শাহানা থানায় গেলে আসামি ইফতেখারুল ডিসি ফরিদকে গালিগালাজ করে নিজেকে নারায়ণগঞ্জের এমপি শামীম ওসমানের মেয়ের জামাই পরিচয় দেন এবং বাদীকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও চড়-থাপ্পড়ও মারেন। এ সময় বাদী তার স্বামীকে ছেড়ে দিতে অনুরোধ করলে ইফতেখারুল ছয় লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। এরপর বাদি বাধ্য হয়ে তাদের ২ লাখ টাকা দেন। এর আগেই আসামিরা বাদীর স্বামীকে মারধর করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। বাদী সেখানে গিয়ে জানতে পারেন তার স্বামীকে মাদকের ৩টি মিথ্যা মামলায় কোর্টে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে বাদীর স্বামী কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। পরে বাদী বিষয়টি পুলিশের ঊর্ধ্বতন মহলে অভিযোগ করেন। কিন্তু তারা কোনো ব্যবস্থা না নেয়ায় তিনি আদালতে মামলাটি করেন।

 

Check Also

কুয়েটের ৯ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

কুয়েটের ৯ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

বিএম রাকিব হাসান, খুলনা ব্যুরোঃ- খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকসহ ৯ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *