Thursday , December 2 2021
Breaking News
Home / বাংলাদেশ / আজ দেশের ইতিহাসের সর্ববৃহৎ বাজেট ঘোষণা

আজ দেশের ইতিহাসের সর্ববৃহৎ বাজেট ঘোষণা

image-427180-1622674066

মো. কামরুল হাসান:  আজ বৃহস্পতিবার ঘোষিত হতে যাচ্ছে দেশের ইতিহাসের সর্ববৃহৎ বাজেট। করোনাকালে ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেটের আকার নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৩ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা। যা মোট জিডিপির ১৭ দশমিক ৪৭ শতাংশ। টাকার অঙ্কে এই বাজেট চলতি অর্থবছরে (২০২০-২১) মূল বাজেটের চেয়ে ৩৫ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা বেশি। বড় ব্যয়ের এই বাজেটে অর্থসংস্থানে সবচেয়ে বেশি জোর দেয়া হচ্ছে রাজস্ব আয় বাড়ানো এবং বিদেশি ঋণ ও অনুদানের ওপর। করোনার বছরেও উচ্চ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য নিয়ে ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করতে যাচ্ছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। অর্থমন্ত্রী হিসেবে এটি তার তৃতীয় বাজেট। এবার ৭ দশমিক ২ শতাংশ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য নির্ধারণ হতে যাচ্ছে। মূল্যস্ফীতির হার ৫ দশমিক ৩ শতাংশে বেঁধে রাখার লক্ষ্য থাকছে। প্রস্তাবিত বাজেটে ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়াবে ২ লাখ ১৪ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা, যা জিডিপির হিসাবে ৬ দশমিক ২ শতাংশ। বাজেটে মোট আয়ের লক্ষ্য ধরা হচ্ছে ৩ লাখ ৮৯ হাজার কোটি টাকা। বাজেটে উন্নয়ন ব্যয় ধরা হচ্ছে ২ লাখ ৩৭ হাজার ৭৮ কোটি টাকা। এর মধ্যে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) ধরা হয়েছে ২ লাখ ২৫ হাজার ৩২৪ কোটি টাকা। করোনাভাইরাস পরিস্থিতিকে গুরুত্ব দিয়ে গতবারের মতো এবারো ব্যবসায়ীদের ছাড় দেয়া হতে পারে। সরকারি ব্যয় বাড়লেও নতুন করে কোন খাতে বাড়তি করারোপ করা হচ্ছে না। ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের স্বস্তি দিতে বাজেটে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড উদার নীতি অবলম্বন করতে যাচ্ছে। তবে সামর্থ্যবান ও কর প্রদানে সক্ষম এমন লোক ও প্রতিষ্ঠানকে করের আওতায় নিয়ে আসা হবে।

গতকাল বুধবার কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে জাতীয় সংসদের ত্রয়োদশ (বাজেট) অধিবেশন শুরু হয়েছে। গতকাল বুধবার বিকেল ৫টায় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরু হয়। অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা উপস্থিত ছিলেন। তবে বিরোধী দলীয় নেতা রওশন এরশাদ অধিবেশনে যোগ দেননি। রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ সংবিধানে প্রদত্ত ক্ষমতা অনুযায়ি এ অধিবেশন আহ্বান করেছেন। এ অধিবেশনের দ্বিতীয় কার্য দিবস আজ বৃহস্পতিবার সংসদে ২০২১-২০২২ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব পেশ করা হবে। বিকেল ৩টায় অর্থমন্ত্রী আ.হ.ম মুস্তাফা কামাল তার দায়িত্বকালের তৃতীয় বাজেট, আওয়ামী লীগ সরকারের ২১তম, বর্তমান সরকারের টানা ৩য় মেয়াদের ত্রয়োদশতম এবং বাংলাদেশের ৫০তম বাজেট উপস্থাপন করবেন। মহামারী করোনার ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় ‘জীবন ও জীবিকার প্রাধান্যে আগামীর বাংলাদেশ’ সেস্নাগানে পেশ হতে যাচ্ছে এবারের বাজেট। অপ্রয়োজনীয় খাতে ব্যয় হরাস করে শতভাগ বাস্তবমুখী করার চেষ্টা করা হবে এবারের বাজেটে। করোনার টিকা আমদানিতে প্রয়োজনীয় অর্থের সংস্থান, নিত্যপণ্যের দাম কমানো, কর্মসংস্থান বাড়াতে ব্যবসা-বাণিজ্য বিনিয়োগবান্ধব কর ও ভ্যাট নীতি অবলম্বন এবং সাধারণ মানুষকে সঞ্চয়ে উৎসাহিত করতে সঞ্চয়পত্রের মুনাফা বাড়ানোর মতো চার বিষয়ের ওপর জোর দেয়া হয়েছে আসন্ন বাজেটে। জানা গেছে, করোনার বছরেও ৭ দশমিক ২ শতাংশ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য নির্ধারণ হতে যাচ্ছে। মূল্যস্ফীতির হার ৫ দশমিক ৩ শতাংশে বেঁধে রাখার লক্ষ্য থাকছে। সব মিলিয়ে বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৬ লাখ ৩ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এবার বাজেটকে সামাজিক অবকাঠামো, ভৌত অবকাঠামো, সাধারণ সেবা এবং সুদ-ভর্তুকি-ঋণ প্রদানের আওতায় মোট চারটি বৃহত্তর খাতে বিভক্ত করে অর্থ বরাদ্দের প্রস্তাব করা হবে। করোনা ভাইরাসের প্রভাব বিবেচনায় আগামী বাজেটে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার নির্ধারণ করা হবে স্বাস্থ্য খাতে। এর পরেই অগ্রাধিকার কৃষি যান্ত্রিকীকরণ, সেচ ও বীজে প্রণোদনা, কৃষি পুনর্বাসন ও সারে ভর্তুকি প্রদান, প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত প্রণোদনা প্যাকেজ বাস্তবায়ন। সেই সঙ্গে শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নসহ সার্বিক মানবসম্পদ উন্নয়ন, পল্লী উন্নয়ন ও কর্মসৃজন, সামাজিক নিরাপত্তা কার্যক্রমের আওতা সমপ্রসারণ, গৃহহীন দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য গৃহনির্মাণ এবং নিম্ন আয়ের মানুষের মধ্যে খাদ্য বিতরণ কর্মসূচিতে অগ্রাধিকার থাকছে।
আজ দেশের ইতিহাসের সর্ববৃহৎ বাজেট ঘোষণা
আগামী বাজেটে মোট আয়ের লক্ষ্য ধরা হচ্ছে ৩ লাখ ৮৯ হাজার কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরে মোট আয়ের বা রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা আছে ৩ লাখ ৭৮ হাজার কোটি টাকা। আগামী অর্থবছরের জন্য মোট রাজস্বের মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) আদায় করতে হবে ৩ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা। এ ছাড়া এনবিআর-বহির্ভূত অন্যান্য খাত থেকে আদায় করার লক্ষ্য রয়েছে ৫৯ হাজার কোটি টাকা। করোনার এই সময়ে রাজস্ব আদায় লক্ষ্য অনুযায়ী হচ্ছে না, ফলে আগামী বাজেটে ব্যয় নির্বাহে ঋণ গ্রহণে চাপ বাড়বে।

এডিপি : বাজেটে উন্নয়ন ব্যয় ধরা হচ্ছে ২ লাখ ৩৭ হাজার ৭৮ কোটি টাকা। এর মধ্যে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) ধরা হয়েছে ২ লাখ ২৫ হাজার ৩২৪ কোটি টাকা। ইতিমধ্যে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদে এডিপির আকার চূড়ান্ত করা হয়েছে।

ঘাটতি : এবারের বাজেটে ঘাটতির আকার অন্য সব বছর থেকে ছাড়িয়ে যাবে। বাজেট ঘাটতি ধরা হয়েছে ২ লাখ ১৪ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা। অর্থাৎ, প্রায় উন্নয়ন কর্মসূচির সমান ঘাটতি পূরণ করতে হবে। মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) তুলনায় ঘাটতির আকার ৬ দশমিক ২ শতাংশের সমান। করোনাভাইরাসের এই সময়ে বাজেট ঘাটতির আকার গত বছরই ৬ শতাংশের ওপরে ধরা হয়েছিল। কিন্তু ব্যয়ের সক্ষমতা কম থাকায় ঘাটতির আকার শেষ পর্যন্ত কম হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘাটতি পূরণে আগামী অর্থবছরে অভ্যন্তরীণ খাত থেকে ঋণ নেয়ার লক্ষ্যমাত্রা ধরা হচ্ছে ১ লাখ ১৩ হাজার ৪৫৩ কোটি টাকা। অভ্যন্তরীণ খাতের মধ্যে ব্যাংক-ব্যবস্থা থেকে সরকার ঋণ নেয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করতে যাচ্ছে ৭৬ হাজার ৪৫২ কোটি টাকা। আর জাতীয় সঞ্চয়পত্র থেকে ঋণ নেওয়ার লক্ষ্য থাকছে ৩২ হাজার কোটি টাকা। অন্যান্য খাত থেকে নেয়া হবে ৫ হাজার কোটি টাকা। বাকি অর্থ বিদেশি উৎস থেকে সংগ্রহ করার লক্ষ্য রয়েছে।

ব্যবসায়ীদের জন্য স্বস্তি থাকছে বাজেটে : জানা গেছে, সরকারি ব্যয় বাড়লেও নতুন করে কোন খাতে বাড়তি করারোপ করা হচ্ছে না। ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের স্বস্তি দিতে বাজেটে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড উদার নীতি অবলম্বন করতে যাচ্ছে। তবে সামর্থ্যবান ও কর প্রদানে সক্ষম এমন লোক ও প্রতিষ্ঠানকে করের আওতায় নিয়ে আসা হবে। করোনাভাইরাস পরিস্থিতিকে গুরুত্ব দিয়ে গতবারের মতো এবারো ব্যবসায়ীদের কিছু ছাড় দেয়া হতে পারে। শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত নয় এমন কোম্পানির করহার বিদ্যমান সাড়ে ৩২ শতাংশ থেকে আড়াই শতাংশ কমে ৩০ শতাংশ হতে পারে। একক ব্যক্তির কোম্পানিকে উৎসাহিত করতে করহার আরো কমে হতে পারে-২৫ শতাংশ। এর বাইরে অন্যান্য কোম্পানির ক্ষেত্রে করহার অপরিবর্তিত থাকতে পারে। এছাড়া খুবই কম হারে মুনাফা তথা মূল্য সংযোজন হয় এমন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের (সাধারণ ডিলার, পাইকার ইত্যাদি) আয়কর ও ভ্যাটের হারে পরিবর্তনের মাধ্যমে ব্যবসাবান্ধব করা হতে পারে। উৎপাদনশীল খাতে শিল্পের কাঁচামালের বিদ্যমান আগাম কর (অ্যাডভান্স ট্যাক্স বা এটি) কমতে পারে। কমতে পারে ভ্যাট ফাঁকির জরিমানার হারও। অন্যদিকে নানা সমালোচনা সত্ত্বেও কিছু পরিবর্তন করে কালো টাকা বিনিয়োগের সুযোগও থাকছে। স্বল্পোন্নত থেকে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পাওয়ায় রফতানি খাতে যেসব চ্যালেঞ্জ আসবে তা মোকাবিলায় বিশেষ কৌশল থাকবে আসন্ন বাজেটে। গত কয়েক বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে দেশে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা হরাস পেয়েছে। কিন্তু করোনার কারণে আবার দরিদ্র মানুষের সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছে। দরিদ্র মানুষকে সুরক্ষা দিতে আগামী বাজেটে সামাজিক নিরাপত্তা বাড়ানোর ওপর জোর দেয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, খাদ্য মজুদ বাড়ানো, তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বাড়াতে কর্পোরেট কর কমানোর নির্দেশনা রয়েছে।
আজ দেশের ইতিহাসের সর্ববৃহৎ বাজেট ঘোষণা
জীবন ও জীবিকায় প্রাধান্য : আগামী বাজেটে জীবন ও জীবিকা দুটোকেই প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে। করোনা মহামারী থেকে জীবন বাঁচাতে যেমন উদ্যোগ থাকছে, তেমনি জীবিকা রক্ষায় থাকছে নানা প্রণোদনা। জীবন বাঁচাতে স্বাস্থ্য খাতে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। করোনার টিকা কেনা, টিকাদান, ব্যবস্থাপনা ও সংরক্ষণ বাবদ ১০ হাজার কোটি টাকার থোক বরাদ্দ রাখা হচ্ছে। সরকার আগামী অর্থবছরের মধ্যে ১০ কোটি মানুষকে টিকা দিতে চায়। সব মিলিয়ে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ অনেক বাড়ানো হচ্ছে। অন্যদিকে জীবিকা ঠিক রাখতে কৃষি ও শিল্পোৎপাদন বাড়ানো ও সেবা খাতের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার উদ্যোগ থাকছে। অসহায়, দুঃস্থ মানুষকে আনা হচ্ছে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায়।

এদিকে সংসদ সচিবালয় থেকে বাজট অধিবেশনের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। করোনা মহামারীর এ সময়ে এবারো এ অধিবেশনের মেয়াদ স্বল্প সময়ের হওয়ার কথা রয়েছে। গতকাল শুরু হয়ে মুলতবি দিয়ে ৩ জুলাই অধিবেশন শেষ হতে পারে। আর সংক্ষিপ্ত আলোচনার পর বাজেট নিয়ম অনুযায়ী ৩০ জুনের মধ্যে পাস করা হবে। চলতি (২০২০-২০২১) অর্থবছরের বাজেট ছিল ৫ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার। আর স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম বাজেট অর্থাৎ ১৯৭২-৭৩ সালে বাজেটের আকার ছিল মাত্র ৭৮৬ কোটি টাকা। দেশের প্রথম বাজেট উত্থাপন করেন তাজউদ্দীন আহমেদ। এদিকে চলতি অর্থবছরে ৫ লাখ ৬৮ হাজার বাজেট ঘোষণা হয়েছিল গত বছরের ১১ জুন। এরপর মাত্র ৯ দিনের বাজেট আলোচনা শেষে তা পাস করা হয়। এটি ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসে সংক্ষিপ্ততম বাজেট অধিবেশন। এবারো করোনা পরিস্থিতির কারণে অল্প দিনে আলোচনা শেষ করে বাজেট পাস হবে। করোনা মহামারীর মধ্যে এবারো কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে বাজেট অধিবেশন চালানো হবে। সংক্ষিপ্ত সময়ে শেষ হবে বাজেট অধিবেশন। বিরতি দিয়ে এ অধিবেশন ১০ থেকে ১৩ কার্য দিবস চলতে পারে। এদিকে এ সংসদের দ্বাদশ অধিবেশনের শেষ কার্যদিবস অর্থাৎ ৪ এপ্রিল মারা যান ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য আসলামুল হক। ফলে ২ জুন ত্রয়োদশ অধিবেশনের প্রথম দিন প্রয়াত সংসদ সদস্যের ওপর আনীত শোক প্রস্তাবের আলোচনা শেষে অধিবেশনের মুলতবি ঘোষণা করা হয়। এছাড়া বাজেট পেশের পর ৪ ও ৫ জুন সাপ্তাহিক ছুটি শেষে ৬ জুন রোববারের কার্য

আজ দেশের ইতিহাসের সর্ববৃহৎ বাজেট ঘোষণা

দিবসে সংসদে ২০২০-২০২১ অর্থ বছরের সম্পূরক বাজেটের ওপর আলোচনা শুরু হবে। সম্পূরক বাজেটের ওপর আলোচনা শেষে ৭ জুন সম্পূরক বাজেট পাস করার কথা রয়েছে। এরপর বিরতি দিয়ে প্রস্তাবিত ২০২১-২০২২ অর্থবছরের ওপর আলোচনা শুরু করা হবে। আর তা ৩০ জুন বুধবার পাস হতে পারে। করোনা পরিস্থিতির কারণে সংসদ সদস্য, মন্ত্রী, সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এবারো কোভিড টেস্টের নেগেটিভ সনদ নিয়ে সংসদ সচিবালয়ে প্রবেশ করতে হবে। প্রতি ৭২ ঘণ্টা পর পুনরায় নেগেটিভ সনদ মিললেই সংসদ সদস্যরা কেবল অধিবেশনে যোগদান করতে পারবেন। যারা ভ্যাকসিন নিয়েছেন তাদেরও কোভিড নেগেটিভ সনদ লাগবে। সংসদ সচিবালয় থেকে জানা গেছে প্রতিদিন ১১০ থেকে ১২০ জন সংসদ সদস্যকে অধিবেশনে অংশ নেয়ার আমন্ত্রণ জানানো হবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে নিরাপদ দূরত্বে বসে সংসদ অধিবেশন চলবে। এবারো গণমাধ্যমকর্মীদের সংসদ বাংলাদেশ টেলিভিশনে সরাসরি সমপ্রচার থেকে সংসদ অধিবেশন কাভার করতে হবে। তবে বাজেট পেশের দিন এবং অধিবেশন শেষ হওয়ার দিন সংসদে সাংবাদিক লাউঞ্জে প্রবেশের সুযোগ থাকতে পারে। তবে সেক্ষেত্রে করোনা নেগেটিভ সনদ লাগবে। এজন্য গতকাল মঙ্গলবার থেকে সংসদ মেডিকেল সেন্টারের পরিচালনায় কোভিড টেস্ট শুরু হয়েছে।

 

Check Also

শীতের পিঠা

শীতের পিঠা বিক্রি

বাগমারা সংবাদদাতা:  বাগমারার বিভিন্ন হাটবাজার ও বড় বড় রাস্তার মোড়ে এমন পিঠা তৈরির দোকান চোখে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *