Friday , April 16 2021
Breaking News
Home / বাংলাদেশ / আইন ও বিচার / হাইকোর্টের আদেশ খুলনায় পৌঁছাতে আড়াই বছর পার

হাইকোর্টের আদেশ খুলনায় পৌঁছাতে আড়াই বছর পার

হাইকোর্টের আদেশ

ছবি: বি এম রাকিব হাসান, খুলনা: 

বি এম রাকিব হাসান, খুলনা: খুলনা নগরীর বহুল আলোচিত জাপা নেতা শেখ আবুল কাশেম হত্যা মামলায় স’গিত বিচার কার্যক্রম গত বুধবার ফের শুরম্ন হয়েছে। এদিন একজনের সাড়্গ্য গ্রহণ করা হয়। ২৬ বছর আগে জাপা নেতা ও খুলনা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি শেখ আবুল কাশেম ও তাঁর গাড়িচালককে হত্যা করা হয়েছিল। এদিকে এ মামলার স’গিত প্রত্যাহারসংক্রানত্ম হাইকোর্টের একটি আদেশ ঢাকা থেকে খুলনায় পৌঁছাতে দুই বছর সাত মাস সময় লেগেছে। এতে বিচারিক আদালত জননিরাপত্তা বিঘ্‌নকারী অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক রেজিস্ট্রারের কাছে চিঠি দিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেন।
প্রসঙ্গত, হত্যা মামলাটির বিচারকাজ উচ্চ আদালতের আদেশে স্থ’গিত ছিল। ২০১৮ সালের ২ আগস্ট এই স্থগিত আদেশ প্রত্যাহার করা হয় এবং বিচারকাজ পরিচালনার জন্য সংশিস্নষ্ট আদালতে বলা হয়। কিন্তু’ আদেশটি খুলনায় এসে পৌঁছে গত ৩ জানুয়ারি।
গত বুধবার বিচারকাজ শুরম্নর প্রথম দিনে জননিরাপত্তা বিঘ্‌নকারী অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালে সাড়্গ্য দেন অবসরপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট সাগির আহমেদ। তিনি এই মামলায় চরমপন্থী নেতা তারেকের ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি গ্রহণ করেছিলেন। মামলার অন্যতম আসামি জাপা নেতা মুশফেকুর রহমান মুশফেকসহ তিন ভাইকে পলাতক দেখানো হয়েছে। জামিনে থাকা দুই আসামি সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল গাফফার বিশ্বাস ও শিল্পপতি তরিকুল হুদা টপি আদালতে উপসি’ত ছিলেন।
রাষ্ট্রপড়্গের কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট আরিফ মাহমুদ লিটন স’গিত আদেশ প্রত্যাহারসংক্রানত্ম নির্দেশনা হাইকোর্ট থেকে খুলনা আদালতে পৌঁছাতে আড়াই বছরের বেশি সময় লাগায় বিস্ময় প্রকাশ করেন। তিনি জানান, বিচারক লিখিতভাবে বিষয়টি সুপ্রিম কোর্ট রেজিস্ট্রারকে জানিয়েছেন। তিনি আরো জানান, মামলার অন্যতম আসামি জাপা নেতা মুশফেকুর রহমান ও তাঁর দুই ভাইসহ তিনজনের বিরম্নদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। আগামী ১৫ মার্চ পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য হয়েছে।

 

Check Also

লকডাউনের প্রথম দিন ৯৬ জনের মৃত্যু

লকডাউনের প্রথম দিন ৯৬ জনের মৃত্যু

 ছবি: ফোকাস বাংলা লকডাউনের প্রথম দিন গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ৯৬ জন মারা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *