Friday , May 14 2021
Home / খবর / মেহেরপুরে বিএডিসি অফিস এখন দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত। টাকা ছাড়া যেখানে কোন কাজ হয় না।

মেহেরপুরে বিএডিসি অফিস এখন দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত। টাকা ছাড়া যেখানে কোন কাজ হয় না।

স্টাফরিপোটার : মেহেরপুরের গাংনীতে বিএডিসি অফিস এখন দুর্নীতি,অর্থ কেলেঙ্কারী, স্বজনপ্রীতি ও চরম অব্যবস্থ্যা পনার আখড়ায় পরিণত হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে‌।
লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার অধীন বিভিন্ন অঞ্চলের গভীর নলকূপ, এলএলপি ক্ষুদ্র সেচ প্রকল্পের গাংনী উপজেলা বিএডিসি এর অনত্মর্গত গ্রম্নপ ম্যানেজারবৃন্দ ও ব্যক্তি ড়্গুদ্র সেচ মালিকগন জানান, গাংনী উপজেলা বিএডিসি অফিস এখন দুর্নীতি, অনিয়ম, অবৈধ অর্থ লেনদেনের মহাকারখানা তৈরী হয়েছে। অনিয়ম ও অর্থ কেলেঙ্কারীর তালিকায় উক্ত অফিসের কর্মকর্তা, কর্মচারীরা সমন্বিত মুজিবনগর কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের ২০১২-১৩ অর্থ বছরের শুরম্নর পর থেকে অর্থ লেনদেনের মাধ্যমে সরকার কর্তৃক গভীর নলকূপ কৃষি সেচ উন্নয়নের জন্য দেয়। সেচ সম্প্রসারণের জন্য দেয়া হলেও অর্থ লেন দেনের কারণে নলকূপগুলো যথাযথভাবে স’াপন করা হয়নি। যে কারনে সরকার বিপুল অঙ্কের রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, নলকূপ মেরামত বিষয়ে অফিসে কোন সহযোগিতা পাওয়া যায়না। অনেক গভীর নলকূপ অদ্যাবধি অকেজো হয়ে পড়ে রয়েছ্‌ে। কৃষকরা হয়রানির শিকার হচ্ছে। ব্যক্তি মালিকানায় ড়্গুদ্র সেচের লাইসেন্স বাবদ ২০ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা নিয়ে সেচ কমিটি থেকে পাশ করানো হয়। আরও জানা গেছে, সেচ নীতিমালা বহির্ভূত ভাবে এক স্কীমের মধ্যে অন্য স্কীমের লাইসেন্স মটর পাম্প স’াপন করা হচ্ছে। ফলে সাধারণ কৃষকরা প্রতারিত হচ্ছে এবং আর্থিকভাবে ড়্গতিগ্রস’ হচ্ছে।অনিয়মের নানা অভিযোগ উলেস্নখ করে জানান, গভীর নলকূপের অপারেটর বিল বাবদ সরকারী নীতিমালায় শতকরা ১০ ভাগ দেয়ার কথা থাকলেও ২০ মাস অতিবাহিত হলেওকোন ম্যানেজারকে অপারেটর ভাতা পরিশোধ করা হয়নি। বিএডিসি কর্তৃক গভীর নলকূপ ও এলএলপির অবকাঠামো মেরামত মটর পাম্প, বারিক পাইপ, রাইডার, মিটার ইত্যাদি ড়্গতিগ্রস’ হলে কোন প্রকার সহযোগিতা করা হয় না। এমনকি কোন কর্তৃপড়্গ সরেজমিনে দেখভালও করে না।আবার নিজস্ব খরচে মেরামতের ব্যবস্থ্যা করা হলেও সেই খরচ দেয়া হয় না। উপরন’ কাগজে কলমে খরচ দেখিয়ে টাকা আত্মসাত করা হয়। গাংনী উপজেলার মধ্যে ৩ টি নলকূপ স’াপন করা হয়েছে এর মধ্যে একটিতে সম্পূর্ণভাবে মাছ চাষ করা হচ্ছে।এক একটি এলএলপি মেশিন এর অনুকূলে ৫ লড়্গ থেকে ৬ লড়্গ টাকা করে উৎকোচ নেয়া হয়েছে। এছাড়া বারিক পাইপ বর্ধিত করণের জন্য ২০ থেকে ৫০ হাজার টাকা করে নিয়ে সংযোগ দেয়া হচ্ছে। একইভাবে কৃষকের নিকট থেকে নতুন ভাবে গভীর নলকূপ দেয়ার নামে অগ্রিম টাকা ঘুষ নেয়া হচ্ছে।
এব্যাপারে উপজেলা বিএডিসি সেচ প্রকল্প কর্মকর্তার সাথে বিষয়টি জানতে একাধিকবার ফোন দেয়া হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
উলেস্নখিত বিষয়গুলো বিবেচনা করে সরেজমিনে তদনত্ম সাপেড়্গে প্রকল্প ছাড়পত্র দেয়ার আবেদন ও দুর্নীতি খতিয়ে দেখে দোষী কর্মকর্তা-কর্মকারীদের বিরম্নদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্খ্য নিতে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন গ্রম্নপ ম্যানেজারদেও পক্ষে হারুণর রশীদ, আকবর আলী, ওসমান আলী, নুরুজ্জামান, মিজানুর রহমান, মোজাম্মেল হক, আলী হোসেন প্রমুখ।

 

Check Also

আজ চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠক

আজ চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠক

মুসলমানদের বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতরের প্রস্তুতি ঘরে ঘরে। এক মাস সিয়াম সাধনা শেষে ঈদের …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *