Thursday , December 3 2020
Breaking News
Home / খবর / দেদারছে জাল ভলিয়মে বাল্য বিবাহ সম্পন্ন। গাংনীতে ভূঁয়া নিকাহ্‌ রেজিষ্টারের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ।

দেদারছে জাল ভলিয়মে বাল্য বিবাহ সম্পন্ন। গাংনীতে ভূঁয়া নিকাহ্‌ রেজিষ্টারের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ।

আমিরুল ইসলাম অল্ডাম  : গাংনীর পৌরসভা এলাকায় ভূঁয়া নিকাহ্‌ রেজিষ্টারের (কাজী) বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। দেদারছে জাল ভলিয়মে বাল্য বিবাহসহ অবৈধভাবে আবু জাফর বিবাহ সম্পন্ন করছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। মাওলানা অবু জাফর গাংনী সরকারী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ধর্মীয় শিড়্গক । সরকারী অনুমোদন না পেয়েও নির্ধারিত নিকাহ্‌ রেজিষ্টার মনিরম্নল ইসলামের নাম ভাঙ্গিয়ে গোপনে নিকাহ্‌ রেজিষ্ট্রী করে প্রতারণা করে যাচ্ছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ড বাঁশবাড়ীয়া গ্রাম নিবাসী মোঃ মনিরম্নল ইসলাম সরকারী নিকাহ্‌ রেজিষ্টার হিসাবে অনুমোদন প্রাপ্ত হয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ কাজ করে আসছেন।বিগত বছরে তিনি আব্দুস সাত্তার নামক একজনকে সাময়িক দায়িত্বভার দিয়ে পবিত্র হজ্জ ব্রত পালনে কাবা শরীফে যান। এই সুযোগে গাংনী সরকারী বালিকা বিদ্যালয়ের ধর্মীয় শিক্ষক ও বর্তমান শিশিরপাড়া গো-ডাউনপাড়া নিবাসী মাওলানা আবু জাফর আব্দুস সাত্তারের প্রতিনিধি (সহকারী) হিসাবে পৌর এলাকায় নিকাহ্‌ রেজিষ্টার হিসাবে কাজ শুরম্ন করেন।
অভিযোগকারী মনিরম্নল ইসলাম জানান,আমাকে সরকার অনুমোদিত নিকাহ্‌ রেজিষ্টার হিসাবে বিজি প্রেস থেকে ছাঁপানো ভলিয়ম, রশিদ বহি, খোলা কপি সরবরাহ করা হলেও প্রতারক আবু জাফর স’ানীয় প্রেস থেকে ভলিয়ম, তালাকের পেপারস (এ-বি-সি) ও রশিদ বহি ব্যবহার করে ভূঁয়া নিকাহ্‌ রেজিষ্ট্রী করে যাচ্ছেন । যাহা শুধু অবৈধই নয় , রীতিমত শাসিত্মযোগ্য অপরাধ্‌ । তিনি অভিযোগ তুলে জানান, সম্প্রতি শিশিরপাড়া গ্রামের মধ্যপাড়ার মোস্তফার মেয়ের বিয়ে ভূঁয়া ভলিয়মে সম্পন্ন করেছে। এছাড়াও রাতের বেলায় গোপনে অবৈধ বিয়ে রেজিষ্ট্রী করে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছেন।
অভিযুক্ত আবু জাফর জানান,আমি সরকারী অনুমোদন পেতে আবেদন করেছিলাম, পরবর্তীতে আমার শিড়্গা প্রতিষ্ঠান সরকারী তালিকাভুক্ত হওয়ায় আমি আর কাজ করি না। আমি ২০১৮ সালে পার্শ্ববর্তী আব্দুস সাত্তারের নিকট থেকে নিকাহ্‌ রেজিষ্ট্রী ভলিয়ম নিয়ে কয়েকদিন কাজ করেছি।আমি এখন আর কাজ করি না। আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ সত্য নয়।
এব্যাপারে গাংনী উপজেলা নির্বাহী অফিসার আর এম সেলিম শাহনেওয়াজ জানান,উপজেলা পর্যায়ে একজন একজন সরকারী ভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত নিকাহ্‌ রেজিষ্টার রয়েছেন। তার তত্ত্বাবধানে প্রতিটি ইউনিয়নের জন্য ১ জন করে এবং পৌর সভায় একজন নিকাহ্‌ রেজিষ্টার নিয়োগ দেয়া রয়েছে। নির্ধারিত ব্যক্তি ছাড়া কাউকে বিজি প্রেসের ভলিয়ম সরবরাহ করা হয়না। এক্ষেত্রে অন্য কোন কেউ কাজী পরিচয় দিয়ে বিবাহ রেজিষ্ট্রী করালে সেটা আইনত দন্ডনীয় অপরাধ হিসাবে গণ্য হবে।
আমিরুল ইসলাম অল্ডাম

Check Also

দরিদ্র উন্নয়ন সংস্থার সার্জিক্যাল মার্কস বিতরণ

কুষ্টিয়ায় বাংলাদেশ দরিদ্র উন্নয়ন সংস্থার সার্জিক্যাল মার্কস বিতরণ

ছবি: শরিফ মাহমুদ কুষ্টিয়া থেকে শরিফ মাহমুদ :  স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলি, নিজে ও পরিবার …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *