Thursday , December 3 2020
Breaking News
Home / আরও... / গাংনীর সীমাত্ম গ্রামগুলোতে আবারও অ্যানথ্রাক্স ছড়িয়ে পড়েছে। পশু পালনকারীরা ড়্গতিগ্রস’। প্রাণীসম্পদ বিভাগের উদাসীনতার কারনে অনেকেই অ্যানথ্যাক্স আক্রাত্ম।

গাংনীর সীমাত্ম গ্রামগুলোতে আবারও অ্যানথ্রাক্স ছড়িয়ে পড়েছে। পশু পালনকারীরা ড়্গতিগ্রস’। প্রাণীসম্পদ বিভাগের উদাসীনতার কারনে অনেকেই অ্যানথ্যাক্স আক্রাত্ম।

anthax
আমিরুল ইসলাম অল্ডাম :   মেহেরপুরের গাংনীর সীমানত্ম গ্রাম তেঁতুলবাড়ীয়া, মথুরাপুর, সহড়াতলা, রংমহল, খাসমহল, করমদীসহ একাধিক গ্রামে প্রতিবছরের ন্যায় আবারও অ্যানথ্যাক্স ছড়িয়ে পড়েছে।গরম্ন-ছাগলসহ অনেকেই অ্যানথ্যাক্স রোগে আক্রানত্ম হয়ে পড়েছে। ইতোমধ্যেই ৮/১০ টি গরু-ছাগল আক্রানত্ম হয়ে মারাও গেছ্‌ে। অসুস’ হওয়ার কারনে অনেকে গরম্ন ছাগল জবাই করে মাংস খাওয়ার কারণে অ্যানথ্যাক্স রোগে আক্রানত্ম হয়ে চিকিৎসাধীন নিচ্ছে। আবার অনেকে অসুস’ গরম্ন ছাগল কম মূল্যে বিক্রি করে দিয়েছে। ফলে পশুপালনকারীরা আর্থিকভাবে ড়্গতিগ্রস’ হচ্ছে। প্রাণীসম্পদ বিভাগের উদাসীনতার কারনে অনেকেই অ্যানথ্যাক্সে আক্রানত্ম হয়ে ক্ষতিগ্রস্থ ‘ হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে।

গরু

পশুপালনকারী আব্দুল বারী জানান, আমি গরীব মানুষ। এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে গরম্ন ক্রয় করে সাপ্তাহিক কিসিত্ম পরিশোধ করে লাভের আশায় গরম্ন পালন করেছিলাম। কিন’ সেই আশা ভেঙ্গে গেল । এখন আমি কি দিয়ে ঋণ শোধ করবো। এমনিভাবে অনেকেই তাদের ড়্গুদ্র প্রচেষ্টা ভেসেত্ম গেছে। এখন তারা বিপাকে পড়েছ্ে‌।
তেঁতুলবাড়ীয়া পশ্চিমপাড়া গ্রামবাসী সূত্রে জানা গেছে, এক সপ্তাহের মধ্যেই মৃত আবুলের ছেলে আব্দুল বারী, দুলবাসের ছেলে ইসমাইল হোসেন, মৃত কছের মন্ডলের ছেলে ফুলবাস, ও আসাদুলের বেশ কয়েকটি গরুহঠাৎ কাপুনী দিয়ে মাটিতে পড়ে মারা গেছে। একইভাবে উক্ত গ্রামের নূর ইসলামের ছেলে বিলস্নাল হোসেন, সাত্তারের ছেলে হাবিব, মৃত কছের আলীর ছেলে ফুলবাস, আনসার আলী, রহিদুল ইসলাম, মিশকাত আলীর ছেলে নাজিমউদ্দীন রোগাক্রানত্ম অসুস’ গরু- ছাগল জবাই করে মাংস বিক্রি করে। ঐ মাংস যারা নাড়াচাড়া করেছে এবং খেয়েছে তারাই অ্যানথ্যাক্স আক্রানত্ম হয়ে হাতে পায়ে ড়্গত ঘা’এর সুষ্টি হয়েছে।
আরও জানা গেছে, আরিফ, সিরাজের মেয়ে বিউটি খাতুন, আনসার আলী (বর্তমানে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন), মৃত আজিবারের ছেলে হযরত আলী, আনসারের মেয়ে পলি খাতুন,ইলিয়াসের স্ত্রী মীম, হযরতের ছেলে লিটন ছাড়াও একাধিক ব্যক্তি অ্যানথ্যাক্স রোগে আক্রানত্ম হয়েছে।
এ ব্যাপারে গাংনী উপজেলা স্বাস’্য ও প. প. কর্মকর্তা ডা. রিয়াজুল আলম জানান, হাসপাতালে মাঝে মধ্যেই দুএকজন অ্যানথ্রাক্স আক্ত্রানত্ম রোগী আসছে। আমরা চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছি। আর সীমানত্ম গ্রামগুলোতে আমাদের স্বাস’্য কর্মীদের পাঠানো হবে।
উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা মোসত্মফা জামান জানান, আমরা ইউনিয়ন কর্মীদের মাধ্যমে বিষয়টি অবগত হয়েছ্‌।ি অ্যানথ্রাক্স প্রতিরোধে গরম্ন ছাগলের ভ্যাকসিন দেয়া হবে। অসুস’ গরম্ন ছাগল জবাই না করা এবং মাংশ না খাওয়ার জন্য পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

 

Check Also

গাংনীতে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ

গাংনীতে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে ইস্যুকৃত আর্থিক অনুদানের চেক বিতরণ অনুষ্ঠান

  আমিরুল ইসলাম অল্ডাম : মেহেরপুরের গাংনীতে মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *