Tuesday , October 27 2020
Breaking News
Home / আরও... / দেবীকে বরণ করতে খুলনার ম-পগুলোতে চলছে কর্মযজ্ঞ

দেবীকে বরণ করতে খুলনার ম-পগুলোতে চলছে কর্মযজ্ঞ

দেবীকে বরণ

ছবি :  বি এম রাকিব হাসান খুলনা

বি এম রাকিব হাসান, খুলনা:   তুলির আঁচড়ে সুন্দর করে তোলা হচ্ছে দুর্গা, গণেশ, কার্তিক ও মহিষাসুরের প্রতিমা। পদ্ম ও শিউলি লাবণ্য ছড়িয়েছে, ঢাক-ঢোল বাজিয়ে দেবী দুর্গাকে বরণ করে নিতে ব্যসত্ম সময় পার করছেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।
এ বছর আগামী ২২ অক্টোবরে ষষ্ঠী দিয়ে শুরম্ন হবে শারদীয় দুর্গাপূজা। আর ২৬ অক্টোবরে বিসর্জনের মাধ্যমে সমাপ্ত হবে সনাতন সমপ্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব।
প্রতিবারের ন্যায় এবারও দেবীকে বরণ করে নিতে বিশাল কর্মযজ্ঞ চলছে খুলনার স’ায়ী-অস’ায়ী ম-পগুলোতে।
পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের হিসাব মতে, এবছর খুলনা জেলা ও মহানগরীতে মোট ৯৭৮ টি মন্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে।
এর মধ্যে খুলনা মহানগরীর ৮ টি থানায় ১৩৬ টি ম-পে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া ডুমুরিয়া উপজেলায় ১৯৫ টি, পাইকগাছা উপজেলায় ১৩৬ টি, বটিয়াঘাটা উপজেলায় ১০৮ টি, তেরখাদা উপজেলায় ১০১ টি, রূপসা উপজেলায় ৭৩টি, দাকোপ উপজেলায় ৭০টি, দিঘলিয়া উপজেলায় ৬০ টি, কয়রা উপজেলায় ৫৫টি, ফুলতলা উপজেলায় ৩২টি ও চালনা পৌরসভায় ১০ টি ম-পে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে।
গত বছর খুলনায় ৯৯৮টি ম-পে পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। অর্থাৎ এবার ২০টি কম ম-পে

দেবীকে বরণ

দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, ম-প প্রাঙ্গণে ব্যসত্ম সময় পার করছেন মালাকররা। নিজস্ব ডিজাইনে তৈরি করা হচ্ছে দেবীদুর্গার ম-পের কাজ। আকৃতি দেওয়া হচ্ছে দুর্গার সঙ্গে থাকে অসুর, সিংহ, মহিষ, গণেশ, সরস্বতী, কার্তিক ও লড়্গীর প্রতিমা। কোথাও বা প্রতিমা তৈরির কাজ শেষ হয়েছে। শিল্পীর রঙ তুলির আঁচড়ে ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে দেবীর রম্নপ।
বটিয়াঘাটার নারায়ণপুরের মহানামা যজ্ঞাস’লী গোপাল বাড়ি ম-পের পূজার আয়োজক খুলনার বিশিষ্ট শিল্পপতি ও তরম্নণ আওয়ামী লীগ নেতা শ্রীমনত্ম অধিকারী রাহুল বলেন, প্রতিমা আর ম-পে নান্দনিকতা ফুটে উঠেছে। রং তুলির আঁচড়ের কাজও শেষ হয়েছে। পূজাকে ঘিরে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে গোপাল বাড়ির ম-পে।
তিনি জানান, করোনা মহামারিকালে এ বছর পূজার অনুষ্ঠানমালা শুধু ধর্মীয় রীতিনীতি অনুসরণ করে পূজা অর্চনার মাধ্যমে মন্দির প্রাঙ্গণেই সীমাবদ্ধ থাকবে।
বৈশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাসের কারনে এ সীমিত পরিসরে পূজা উদযাপনের নির্দেশনা দিয়েছেন বাংলাদেশ পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতারা।
এ নির্দেশনায় বলা হয়েছে, প্রতিমা তৈরি থেকে পূজা সমাপ্তি পর্যনত্ম প্রতিটি মন্দিরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, ভক্ত-পূজারি ও দর্শনার্থীদের জীবাণুমুক্ত করার ব্যবস’া রাখা, সবার বাধ্যতামূলকভাবে মাস্ক পরা, দর্শনার্থীদের মধ্যে ন্যূনতম তিন ফুট শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা, পূজাম-পে নারী-পুরম্নষের যাতায়াতের আলাদা ব্যবস’া করা, বেশি সংখ্যক নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক রাখতে হবে।

দেবীকে বরণ

‘সন্দেহভাজন’ দর্শনার্থীদের দেহ তলস্নাশির ব্যবস’া রাখতে হবে। আতশবাজি ও পটকা ফাটানো থেকে বিরত থাকতে হবে। পূজাম-পে রাখতে হবে সিসি ক্যামেরা।
ভক্তিমূলক সংগীত ছাড়া অন্য কোনো গান যেন বাজানো না হয়, মাইক বা পিএ সেট যেন ব্যবহার করা না হয়, পূজাম-পে ‘প্রয়োজনের অতিরিক্ত দীর্ঘ সময়’ কোনো দর্শনার্থী যেন না থাকে এবং সন্ধ্যার বিরতির পর দর্শনার্থীদের প্রবেশে যেন নিরম্নৎসাহিত করা হয়- সেসব বিষয়ও আছে নির্দেশনায়।

দেবীকে বরণ
ছবি :  বি এম রাকিব হাসান খুলনা

Check Also

হাজী সেলিমের

হাজী সেলিমের বাসায় কন্ট্রোল রুম

স্টাফ রিপোর্টার  : ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের ছেলে ও ওয়ার্ড কাউন্সিলর এরফান সেলিমের …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *