Sunday , October 25 2020
Breaking News
Home / খবর / স্বস্তির বৃষ্টিতে দুশ্চিনত্মায় উপকুলবাসী

স্বস্তির বৃষ্টিতে দুশ্চিনত্মায় উপকুলবাসী

উপকুলবাসী

(ছবি:  বি এম রাকিব হাসান  )

বি এম রাকিব হাসান, খুলনা:    আশ্বিনের তীব্র খরতাপের পর স্বসিত্মর বৃষ্টিতে আবারও বিপাকে আমফানে ড়্গতিগ্রসত্ম উপকুলবাসী। আটকানো বাধগুলো আবারও ভেঙ্গে যাচ্ছে। পানিতে ছয়লাব হচ্ছে বিসত্মৃীর্ন জনপদ।
আশ্বিনের সূর্যের কড়া তেজে খুলনায় গরমের তীব্রতা ক্রমেই বাড়ছিল। খটখটে রম্নড়্গ আবহাওয়ায় ভ্যাপসা গরমে-ঘামে মানুষ হাঁসফাঁস করছিল। অবশেষে গত দু’দিন ধরে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হয়েছে খুলনায়। ফলে তাপমাত্রা কিছুটা কমেছে। জনমনে ফিরেছে স্বসিত্ম।
কিন’ সে স্বসিত্ম যেন এখন অভিশাপ আমফানে বিধ্বসত্ম উপকুলবাসীর জন্য। আমফানে ড়্গতিগ্রসত্ম দুর্বল বাঁধ গত দু’দিনের বৃষ্টির পানিতে আরো দুর্বল হয়ে পড়ছে। রাতের ঘুম আতংকে পরিনত হচ্ছে উপকুলবাসীর জন্য। যে কোন মুহুর্তে খুলনাঞ্চলীয় উপকুলের বিসত্মৃর্ণ ভেড়ীবাঁধ ভেঙ্গে আবারও পস্নাবিত হতে পারে আমফানে ড়্গতিগ্রসত্ম এলাকাগুলো ।
সূত্রমতে, আমফানের প্রভাবে উপকুলীয়াঞ্চলের অধিকাংশ বেড়িবাঁধ হুমকির মুখে রয়েছে। ভাঙন আতঙ্কে রয়েছেন উপকূলবাসী। ঘুমের মধ্যেও তারা আতকে ওঠেন, এই বুঝি বাঁধ ভেঙে গেল। বেড়িবাঁধের কোথাও কোথাও মাত্র দুই থেকে তিন ফুট চওড়া মাটির বাঁধ রয়েছে। তাও আবার বৃষ্টিতে ধুয়ে নরম হয়ে গেছে।
বাঁধের অনেক দুর্বল জায়গা ভেঙ্গে পানি প্রবেশ করছে লোকালয়ে। যেকোনো সময় জীর্ণশীর্ণ বেড়িবাঁধ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে পস্নাবিত হতে পারে বিসত্মীর্ণ এলাকা। আর সেই আশঙ্কা নিয়েই চলতি দুর্যোগ মৌসুমে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছে খুলনা জেলার কয়রা, দাকোপ, পাইকগাছা, সাতড়্গীরা জেলার শ্যামনগর, আশাশুনি ও বাগেরহাট উপকূলের লাখ লাখ মানুষ।

উপকুলবাসী

এদিকে গত সোমবার বৃষ্টিতে কয়রা সদর ইউনিয়নের হরিনখোলা পাউবোর বাঁধ ভেঙে গেছে। স’ানীয় বাসিন্দা পান্নার নেতৃত্বে হরিণখোলা গ্রামের ২৫/৩০ জন বাঁধ আটকাতে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়েও ব্যর্থ হয়েছে।
খুলনা জেলার সুন্দরবন সংলগ্ন দাকোপ ও কয়রা উপজেলার চতুর্দিক নদী বেষ্টিত। এ দুই উপকূলীয় এলাকার মানুষের কাছে আতঙ্কের নাম ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধ। বিশেষ করে ঘূর্ণিঝড় আইলার পর ভেঙে যাওয়া বেড়িবাঁধ সংস্কার করা হলেও সেগুলো দীর্ঘমেয়াদি হয়নি।
সর্বশেষ আমফানে তান্ডবে আরও দুর্বল হয়ে পড়ে এ অঞ্চলের বেড়িবাধগুলো। বর্ষা মৌসুমে আবহাওয়া বিরূপ হলে পানির চাপে দুর্বল বেড়িবাঁধের ভেঙে পানি লোকালয়ে প্রবেশ করে।
অন্যদিকে শ্যামনগর উপজেলার নদী বেষ্টিত দ্বীপ ইউনিয়ন গাবুরায় ফের ভয়াবহ নদী ভাঙন শুরম্ন হয়েছে। গত রবিবার ভোর ৪টার দিকে ইউনিয়নের গাবুরায় সরকারি দৃষ্টিনন্দন প্রকল্প সংলগ্ন ট্রলার ঘাটটি খোলপেটুয়া নদীতে বিলীন হয়ে যায়। এসময় স’ানীয়দের মধ্যে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়।
খুলনাঞ্চলের দশ লাখ মানুষের জীবন-জীবিকা অরড়্গিত ও মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। সিডরের পরও বার বার হানা দিয়েছে আইলা, নার্গিস, গিরি, আমফানসহ নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগ। এসব দুর্যোগ ছাড়াও সারা বছরই নিরাপত্তাহীনতা ও শঙ্কায় ভুগছেন নারী-পুরম্নষ, শিশু-বৃদ্ধরা।
উপকুলবাসী

Check Also

মহাষ্টমী

আজ মহাষ্টমী

স্টাফ রিপোর্টার :  শ্রী শ্রী দুর্গা দেবীর নবপত্রিকা প্রবেশ স্থাপন সপ্তমাদি কল্পারম্ভের মধ্য দিয়ে গতকাল …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *