Sunday , September 27 2020
Breaking News
Home / আরও... / ভাদ্র মাসের মাঝামাঝি সময়ে বন্যা হলে তা দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে

ভাদ্র মাসের মাঝামাঝি সময়ে বন্যা হলে তা দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে

 বন্যা

স্টাফরিপোটার   : ভাদ্র মাসের মাঝামাঝি সময়ে বন্যা হলে তা দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে জানিয়ে এ বিষয়ে প্রস্তুত থাকতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গতকাল সোমবার ভার্চুয়াল মন্ত্রিসভা বৈঠকে সরকারপ্রধান এই নির্দেশনা দিয়েছেন বলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম জানিয়েছেন।
সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে তিনি বলেন, মন্ত্রিসভা বৈঠকে বন্যা ও পুনর্বাসন কর্মসূচি নিয়ে বেশি আলোচনা হয়েছে। গত কয়েকদিন থেকে পানি নেমে যাচ্ছে। আজকে যমুনা নদীর পানি বঙ্গবন্ধু ব্রিজের ওখানে পানি অলরেডি বিপৎসীমার বেশ নিচে চলে গেছে। পদ্মা নদীর পানির স্তর ও গতি কমেছে জানিয়ে আনোয়ারুল বলেন, ভারতের আবহাওয়া বিভাগের প্রেডিকশন আছে যে আপে বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা আছে। সেজন্য প্রধানমন্ত্রী পার্টিকুলারলি এ বিষয়ে সতর্ক করেছেন প্রস্তুত থাকতে হবে যাতে একটা লং টার্ম বন্যা। এই যে পানিটা যাচ্ছে এটাও ১৮/২০ দিন হয়ে গেছে। ১৮/২০ দিন পর পানিটা অনেকটা নিচে নেমে যাচ্ছে। যেটা উনি (প্রধানমন্ত্রী) বিশেষ করে সতর্ক করলেন, ভাদ্র মাসের মাঝামাঝি যদি কোনো বন্যা আসে তাহলে সেটা কিন্তু লং টাইমে এটা প্রিভেইল করার সম্ভাবনা থাকে। সুতরাং আমাদের প্রস্তুতিটা ওইখানে রাখতে হবে।
 বন্যা
আনোয়ারুল বলেন, আমাদের পুনর্বাসন কার্যক্রম বিশেষ করে ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্টের আন্ডারে কিছু প্রোগ্রাম আছে, একটা প্রোজেক্ট আছে সেই প্রোজেক্টে তিনটি কম্পোনেন্টে ইমপ্লিমেন্ট করার কথা আছে। একটা হল- ডিজস্টার ম্যানেজমেন্ট ঘরবাড়ি রিহ্যাবিলেটেশন করবে। আরেকটা হল- স্থানীয় সরকার তাদের ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো মেরামত করবে, পানি উন্নয়ন বোর্ডকেও সেখানে ইনক্লুড করা আছে। সেখানে একটা বড় টাকা ধরা আছে যদি কোথাও নদীর বাঁধ ভেঙে যায় ওটাকে তাড়াতাড়ি মেরামত করার জন্য। সেই বিষয়ে বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। কৃষি মন্ত্রণালয়ের জন্য আলাদা ম্যাসিভ এগ্রিকালচারাল রিহ্যাবিলেটেশন প্রোগ্রাম আছে। এজন্য প্রধানমন্ত্রী গুরুত্ব দিয়েছেন যে, আমনের বীজ যেহেতু নষ্ট হয়ে গেছে এজন্য একটু উঁচু জায়গায় করার জন্য। বিশেষ করে পানি সহিষ্ণু ভ্যারাইটি। রোপা আমনের দিকে বিশেষ দৃষ্টি দিতে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, রোপা আমন ঠিকভাবে হলে আমাদের সর্টেজ হওয়ার সম্ভাবনা কমবে। সর্টেজ একচুয়ালি হবে না গতবারের তুলনায়, গতবার আমনে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২৮ লাখ টন, এবার লক্ষ্যমাত্রা ৩৬ লাখ টন। সেই তুলনায় কিছুটা কম হতে পারে তবে গতবারের তুলনায় উৎপাদন আশা করা যাচ্ছে বেশি হবে ইনশাআল্লাহ।

মাস্ক পরা নিশ্চিত করতে ভ্রাম্যমাণ আদালত : করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যে বাসার বাইরে সবার মাস্ক পরা নিশ্চিত করতে মাঠ প্রশাসনকে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করার নির্দেশ দিয়েছে সরকার। সচিবালয়ে সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকের সিদ্ধান্ত জানানোর সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম এ তথ্য জানান।
 বন্যা
তিনি বলেন, মন্ত্রিসভায় জেনারেল আলোচনা হয়েছে যে, মানুষকে অন্তত সচেতন থাকতে হবে। এর মধ্যে দেখা গেছে যে অনেক মানুষের মধ্যে সচেতনতাটা একটু কমে গেছে, সেটা আরও বৃদ্ধি করতে হবে। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ এড়াতে সচেতন থাকার ওপর গুরুত্বারোপ করে আনোয়ারুল বলেন, এগুলো ক্যাম্পেইনে নিয়ে আসা এবং যথাসম্ভব যদি কোনো কোনো ক্ষেত্রে যদি মোবাইল কোর্ট করা যায়। এসব বিষয় নিয়ে গত রোববার সচিব কমিটিতে আলাপ-আলোচনা করে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, মাঠ প্রশাসনকেও বলে দিয়েছি যে, এনফোর্সমেন্টে যেতে হবে।

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার পক্ষে যুক্তি দিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, একেবারে ম্যাসিভ কোনো ক্ষেত্রে মোবাইল কোর্ট করে যদি পানিশমেন্ট দেওয়া হয়, এই জিনিসটা প্রচার করার জন্য যে আজকে মাস্ক না পরার জন্য বা সেইফটি মেজার্স না নেওয়ার জন্য এতোগুলো লোককে বাসে বা বাজারে বা লঞ্চে পানিশমেন্ট দেওয়া হয়েছে। এগুলো যদি প্রচারে যায়, তাহলে মানুষও। মাস্ক পকেটে থাকে, কিন্তু মানুষ পরে না। সবাই যাতে মাস্ক ব্যবহার করে, সে বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে আরও প্রচার চালানো হবে বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব। তিনি বলন, বিশেষ করে তথ্য মন্ত্রণালয়কে আরও ম্যাসিভ প্রচারের জন্য বলা হয়েছে। ফিজিক্যালি মাঠে গিয়ে মাইক দিয়ে, বিলবোর্ড দিয়ে যাতে মানুষ আরেকটু সতর্ক হয়। রেডিও, টেলিভিশন সব জায়গায় তথ্য মন্ত্রণালয়কে বিশেষভাবে বলা হয়েছে। সচিব কমিটির মিটিংয়ে খুব স্ট্রংলি রেকমেন্ড করেছি।

করোনায় স্বাস্থ্যবিধি মানাতে কঠোর হচ্ছে সরকার : করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) মহামারি দূর না হলেও স্বাস্থ্যবিধি মানতে মানুষের মধ্যে উদাসীনতা সৃষ্টি হওয়ায় কঠোর হচ্ছে সরকার। এজন্য স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে ফের ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাসহ কঠোর পদক্ষেপ নিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। গতকাল সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভা বৈঠকের ব্রিফিংয়ের সময় প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম এ কথা জানান। এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে ভার্চুয়াল মন্ত্রিসভা বৈঠক হয়। গণভবন প্রান্ত থেকে প্রধানমন্ত্রী এবং সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে মন্ত্রীরা এই বৈঠকে যোগ দেন। করোনা পরিস্থিতি নিয়ে মন্ত্রিসভা বৈঠকে আলোচনার বিষয়ে জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, জেনারেল (সাধারণ) আলোচনা হয়েছে যে মানুষকে অন্তত সচেতন থাকতে হবে। এর মধ্যে দেখা গেছে যে অনেক মানুষের মধ্যে সচেতনতাটা একটু কমে গেছে। সেটা আরও বৃদ্ধি করতে হবে। ওয়ান অব দ্য প্রিভেন্টিং আসপেক্ট অব করোনা হ্যান্ডেলিং হলো তার একটা প্রিভেন্টিভ অ্যাকশনে থাকা নিজেদেরকে। তিনি বলেন, এগুলো ক্যাম্পেইনে নিয়ে আসা এবং যথাসম্ভব যদি কোনো কোনো ক্ষেত্রে মোবাইল কোর্ট করা যায়। এগুলো নিয়ে কালকেও সচিব কমিটিতে আলাপ-আলোচনা করে ডিরেক্টিভ দিয়েছি এবং মাঠ প্রশাসনকেও বলে দিয়েছি যে, ইনফোর্সমেন্টেও যেতে হবে। তিনি আরও বলেন, বিশেষ করে তথ্য মন্ত্রণালয়কে আরও ম্যাসিভ প্রচারের জন্য বলা হয়েছে। ফিজিক্যালি মাঠে গিয়ে মাইক দিয়ে, বিলবোর্ড দিয়ে যাতে মানুষ আর একটু সতর্ক হয়। কারণ মানুষ যদি প্রটেকশনে না যায় তাহলে এটা তো মেইন অ্যাসপেক্ট হলো কমিউনিটি মেডিসিন। সেই ক্ষেত্রে আমাদের সবাইকে পার্টিসিপেট (অংশগ্রহণ) করতে হবে। রেডিও, টেলিভিশন সব জায়গায়; তথ্য মন্ত্রণালয়কে বিশেষভাবে বলা হয়েছে। সচিব কমিটির মিটিংয়ে খুব স্ট্রংলি রিকমেন্ড করেছি। এক প্রশ্নের জবাবে খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, একেবারে ম্যাসিভ কোনো ক্ষেত্রে মোবাইল কোর্ট করার ক্ষেত্রে যদি পানিশমেন্ট দেয়া হয়, এই জিনিসটা প্রচার করার জন্য যে আজকে মাস্ক না পরার জন্য বা সেফটি মেজর না নেয়ার জন্য এতোগুলো লোককে বাসে বা বাজারে বা লঞ্চে পানিশমেন্ট দেয়া হয়েছে। এগুলো যদি প্রচারে যায় তাহলে মানুষও মাস্ক পকেটে থাকে, কিন্তু মানুষ পরে না। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে সরকারের পরিকল্পনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা নিয়ে আজকে আলোচনা হয়নি।
 বন্যা
আইনের খসড়া অনুমোদন, চলচ্চিত্র শিল্পীদের সহায়তায় হচ্ছে ট্রাস্ট : পেশাগত কাজ করতে অক্ষম ও অস্বচ্ছল চলচ্চিত্র শিল্পীদের সহায়তায় ট্রাস্ট গঠন করছে সরকার। এজন্য ‘বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্ট আইন ২০২০’ এর খসড়া নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। গতকাল সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে ভার্চুয়াল মন্ত্রিসভা বৈঠকে এই অনুমোদন দেয়া হয়। গণভবন প্রান্ত থেকে প্রধানমন্ত্রী এবং সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে মন্ত্রীরা এই বৈঠকে যোগ দেন। বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ২০১৭ সালের ২৪ জুলাই প্রধানমন্ত্রী জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্পীদের কল্যাণ সাধনের জন্য বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্ট নামে একটি ট্রাস্ট স্থাপনের জন্য নির্দেশনা দিয়েছিলেন। সেই মোতাবেক তথ্য মন্ত্রণালয় সব ফার্মালিটি শেষ করে এই আইনের খসড়া উপস্থাপন করেছে। এই ট্রাস্ট গঠনের মূল উদ্দেশ্য চলচ্চিত্র শিল্পীদের কল্যাণ সাধন করা জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, আইন করার উদ্দেশ্য পেশাগত কাজ করতে অক্ষম, অসমর্থ ও অস্বচ্ছল চলচ্চিত্র শিল্পীকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা। এ ছাড়া অস্বচ্ছল ও অসুস্থ চলচ্চিত্র শিল্পীর চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করা, কোনো চলচ্চিত্র শিল্পীর মৃত্যু হলে তার পরিবারকে প্রয়োজনীয় সহায়তার ব্যবস্থা করাও এর উদ্দেশ্য। ট্রাস্ট অন্য কোনো কাজ বাস্তবায়ন করতে পারবে বলেও আইনে বলা হয়েছে। এটার জন্য একটা বোর্ড থাকবে, বোর্ডের চেয়ারম্যান থাকবেন তথ্যমন্ত্রী। আর ১৩ জনের বড় একটা টিম আছে, তারা ট্রাস্টের সবকিছু দেখাশোনা করবে। ট্রাস্টের একজন এমডি থাকবেন, তিনি হবেন নির্বাহী প্রধান। তিনি বলেন, তারা তাদের নিজস্ব ফান্ড ও সরকারের দেয়া ফান্ড- এগুলো নিয়ে ট্রাস্ট পরিচালনা করবেন। তারা বিভিন্ন জায়গা থেকে লোন বা গ্র্যান্টও গ্রহণ করতে পারবে। সেক্ষেত্রে সরকারের অনুমতি নিতে হবে, যাতে এমন কোনো লোন গ্রহণ না করে পরবর্তী সময়ে এটা রাষ্ট্রের উপর চেপে বসে। খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, তারা তাদের কনফোর্ট অনুযায়ী আয়বর্ধক বিভিন্ন কার্যক্রমও গ্রহণ করতে পারবে এবং এখান থেকে যে টাকাটা তাদের মুনাফা থাকবে সেটা দিয়ে উপরের পাঁচটি ক্ষেত্রে চলচ্চিত্র শিল্পীদের সহায়তা করতে পরবে। চলচ্চিত্র শিল্পী যদি মারা যান, তাদের উপর নির্ভরশীলরাও যাতে সহায়তা পায় সেই ব্যবস্থাও আইনে রাখা হয়েছে বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

 

 বন্যা

Check Also

স্টাফরিপোটার

মেহেরপুরে স্কাউটসের ত্রৈ-বাষিক কাউন্সিলে নতুন কমিটি গঠন

ছবি=স্টাফরিপোটার  স্টাফরিপোটার  : বাংলাদেশ স্কাউটস, মেহেরপুর সদর উপজেলার ত্রৈ-বার্ষিক কাউন্সিল সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় তিন …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *