Friday , August 14 2020
Breaking News
Home / খবর / সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হয়নি” বিশুদ্ধ পানির জন্য বানভাসি মানুষের হাহাকার

সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হয়নি” বিশুদ্ধ পানির জন্য বানভাসি মানুষের হাহাকার

sonamgong

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:  সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হয়নি। সুরমা নদীর পানি বিপদসীমার ওপরে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে যাদুকাটা নদীর পানি বিপদসীমার নিচে রয়েছে। ভারতে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কিছুটা কমায় বন্যা পরিস্থিতির অব্নতি হওয়ার আশঙ্কা নেই। তবে চলমান বন্যায় এরই মধ্যে হাওরের বিভিন্ন এলাকায় বিশুদ্ধ পানির জন্য হাহাকার শুরু হয়েছে বানভাসি মানুষের।

sonamgong
জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর মোবাইল ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের মাধ্যমে সুনামগঞ্জ শহরের কিছু এলাকায় পানি দেওয়ার চেষ্টা করছে। সেটাও প্রয়োজনের তুলনায় খুবই অপ্রতুল। এজন্য হাওরের বিভিন্ন এলাকায় পানির চাহিদা প্রকট আকারে ধারণ করেছে। বিশুদ্ধ পানির জন্য হাহাকার করছেন বানভাসি মানুষ।
সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সহিবুর রহমান জানান, সুনামগঞ্জের পুরাতন সুরমা নদীর পানি বিপদসীমার ৩১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অন্যদিকে, গতকাল
বুধবার যাদুকাটা নদীর পানি বিপৎসীমার নিচে অবস্থান করে। তিনি বলেন, ভারতে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ আনুপাতিক হারে কমেছে। তাই সুনামগঞ্জের বন্যার পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকবে।
সুনামগঞ্জ শহরের মলি্লকপুর এলাকার জাহেদ মিয়া বলেন, আমরা শহরে থেকেই খাবার পানি পাচ্ছি না। আর আমার ছোট ভাই থাকে তাহিরপুর উপজেলার টাঙ্গুয়ার হাওরের পাশে। তিনিসহ পরিবারের ৬

sonamgong

জন খাবার পানির অভাবে আছে। তিনি কৃষক। তাই পানি কিনে খাওয়ার সামর্থ্যও তার নেই।
তাহিরপুর উপজেলার দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়নের ইকরামপুর গ্রামের তানভীর আহমেদ বলেন, গত ৬ দিন থেকে বন্যার ৪ দিনই প্রকট পানির অভাবে ছিলাম। এখনো আছি। টাঙ্গুয়ার হাওরের পানি গরম করে খেয়েছিলাম দুদিন। এজন্য এই পানি খেয়ে আমার ছোট ছেলের ডায়রিয়া ভাব ছিল। এখন জ্বালানি কাঠও শেষ হয়ে গেছে। সরকারি কোনো লোকজনও আসছে না এলাকাতে। বড় অসহায় মনে হচ্ছে।
সুনামগঞ্জ জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আবুল কাশেম বলেন, জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও পৌরসভাগুলোতে ১০ লাখ পিস পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট বিতরণ করা হয়েছে। নলকূপ পরিষ্কার করার জন্য ৬শ কেজি বিস্নচিং পাউডার দেওয়া হয়েছে। দুটি মোবাইল ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের মাধ্যমে জরুরিভিত্তিতে পানি সরবরাহ করা হচ্ছে। ১০টি ল্যাট্রিন স্থাপন করা হয়েছে। একইসঙ্গে বিভিন্ন উপজেলায় স্যানিটেশন ব্যবস্থা ভালো রাখার জন্য আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে স্থাপনের জন্য তিন শ ল্যাট্রিন দেওয়া হয়েছে।

সুনামগঞ্জে বন্যা

Check Also

মোল্লাহাটে

মোল্লাহাটে সাবেক স্ত্রী’র চাচাতো ভাইকে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ

    মিয়া পারভেজ আলম   মোল্লাহাট প্রতিনিধি :    বাগেরহাটের মোলস্নাহাটে সাবেক স্ত্রীর চাচাতো ভাইকে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *