Tuesday , August 11 2020
Breaking News
Home / খবর / গরু বিক্রি নিয়ে দুশ্চিন্তায় খুলনার খামারিরা

গরু বিক্রি নিয়ে দুশ্চিন্তায় খুলনার খামারিরা

গরু বিক্রি

বি এম রাকিব হাসান :  গরু বিক্রি নিয়ে দুশ্চিনত্মায় পড়েছেন খুলনার খামারিরা। কয়েক বছর ধরে কোরবানিকে কেন্দ্র করে খুলনায় গরু মোটাতাজা করে বিক্রির প্রবণতা বেড়েছে। এ কারণে গ্রাম থেকে শুরম্ন করে নগরীর ভেতরেও তৈরি হয়েছে একের পর এক খামার। কিন’ করোনা আতঙ্কে এবার কোরবানির বিষয়ে আগ্রহ কমেছে অনেকের। এ জন্য গরম্ন বিক্রি নিয়ে উৎকণ্ঠা বেড়েছে খামারিদের।
জেলা প্রাণিসম্পদ অফিস থেকে জানা গেছে, খুলনায় বর্তমানে ছয় হাজার ৮৯০টি গবাদিপশুর খামার রয়েছে। এসব খামারে বিক্রয়যোগ্য কোরবানির পশু রয়েছে ৪৫ হাজার ৫৮১টি। এর মধ্যে ২৮ হাজার ৩৯২টি গরম্ন, মহিষ এবং ১৬ হাজার, ৭৯৯টি ছাগল ও ভেড়া।

গরু বিক্রি

খামারিরা জানান, প্রতিবছর কোরবানি ঈদের ২০-২৫ দিন আগে থেকেই গরম্ন বিক্রি শুরম্ন হয়। গরম্নর বেপারীরা খামারে খামারে গিয়ে গরম্ন দেখেন। আবার শৌখিন ক্রেতারা দেশি গরম্ন কিনতে খামার ঘুরে ঘুরে গরম্ন কেনেন। ঈদের মাত্র কিছু দিন বাকি থাকলেও এবার কোনো ক্রেতাকেই দেখা যাচ্ছে না।
খুলনার ডুমুরিয়া এলাকার গরম্নর খামারি সবুজ শেখ জানান, চার বছর ধরে তিনি কোরবানিকে টার্গেট করে খামারে গরম্ন তোলেন। এবারও ২০টি গরম্ন তুলেছেন। প্রতিটি গরম্নর মূল্য এক লাখ ২০ হাজারের ওপরে। গত ছয় মাস সেগুলোর খাওয়া-দাওয়া এবং লালন-পালনে মোটা অঙ্কের টাকা ব্যয় হয়েছে। এখন গরম্ন বিক্রি করতে না পারলে এগুলো লালন-পালন নিয়ে বিপাকে পড়তে হবে।
নগরীর সাচিবুনিয়া এলাকার গvs খামারি ইউসুফ মৃধা বলেন, কোরবানির গরম্ন নিয়ে কিছুটা দুশ্চিনত্মায় রয়েছি। এ বছর গরম্ন বিক্রির টাকা দিয়ে আগামী বছর নতুন গরম্ন কেনা এবং সারাবছর খাওয়ানোর খরচ ওঠে। সঠিকভাবে বিক্রি করতে না পারলে লোকসানে পড়তে হবে।
খুলনা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা এস এম আউয়াল হক জানান, গত বছর খুলনায় ৫১ হাজার ৫০০ কোরবানির পশু জবাই হয়েছে। সে হিসাবে এবার প্রায় ৬০ হাজার চাহিদা থাকার কথা ছিল। এ জন্য খুলনার প্রায় সাত হাজার খামারে সাড়ে ৪৫ হাজারের ওপর গবাদিপশু বিক্রির জন্য প্রসত্মুত রয়েছে। কিন’ এবারের চাহিদা গতবারের চেয়ে কমে গেছে।
তিনি বলেন, করোনার কারণে কোরবানির বিষয়ে মানুষের আগ্রহ কমেছে। হাটে গরম্ন বিক্রি কম হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এ জন্য আমরা অনলাইনে গবাদিপশু বিক্রির একটি পস্ন্যাটফর্ম তৈরির চেষ্টা করছি। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এটুআই প্রকল্প এই কার্যক্রমে সহযোগিতা করছে। এ নিয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সভাও হয়েছে। খুব শিগগিরই অ্যাপসটি চালু হবে। এতে কিছুটা হলেও প্রানিত্মক খামারিরা উপকার পাবেন।

গরু বিক্রি

Check Also

মোল্লাহাট

মোল্লাহাট উপজেলা পুষ্টি সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

মিয়া পারভেজ আলম   মোল্লাহাট প্রতিনিধি:  মোল্লাহাটে উপজেলা পুষ্টি সমন্বয় কমিটির নিয়মিত সভা ও বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *