Saturday , October 24 2020
Breaking News
Home / খবর / চট্টগ্রাম বন্দরে বুলবুলের প্রভাব:

চট্টগ্রাম বন্দরে বুলবুলের প্রভাব:

চট্টগ্রাম বন্দরে
ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ আতঙ্কে তিন দিন বন্ধ থাকার পর ফের চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দর। ছবি:Kbdnews.com   :

ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ আতঙ্কে তিন দিন বন্ধ থাকার পর ফের চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

সাগর উত্তাল হয়ে উঠলে শুক্রবার সকাল থেকে দেশের বৃহত্তম সমুদ্রবন্দরের বহির্নোঙরে পণ্য খালাস বন্ধ হয়ে যায়।দেশের আমদানি-রফতানির প্রায় ৯০ শতাংশই হয় এই বন্দর দিয়ে। ওইদিন রাতেই বন্ধ ঘোষণা করা হয় জেটিতে পণ্য ওঠানামসহ সব ধরনের অপারেশনাল কার্যক্রম। বিপদ সংকেত তুলে নেয়ার পর রোববার দুপুর থেকে কাজকর্ম শুরু হয়।তবে বন্দরে জাহাজ চলাচল জোয়ার-ভাটার ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় রোববার খুব বেশি কাজ হয়নি। মূলত সোমবার সকাল থেকে বন্দর স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে শুরু করে।বিপদ সংকেত ঘোষণার পর পণ্য হ্যান্ডলিং বন্ধ করে দিয়ে জেটি ও বহির্নোঙরে অবস্থানরত ১২২টি জাহাজকে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছিল কুতুবদিয়া-কক্সবাজার গভীর সমুদ্রের দিকে। ক্রেনসহ পণ্য হ্যান্ডলিংয়ে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের সরঞ্জাম বেঁধে রাখা হয়েছিল। যাতে এগুলো ঢেউ বা বাতাসে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।

চট্টগ্রাম বন্দরে
ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ আতঙ্কে তিন দিন বন্ধ থাকার পর ফের চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব মো. ওমর ফারুক জানান, ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলায় সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেয়া হয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত তেমন কোনো বিপদ হয়নি। তিনি বলেন, ‘আমাদের কর্মকর্তা-কর্মচারী, শ্রমিকসহ সংশ্লিষ্ট সবাই বন্দরকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে নিতে তৎপর রয়েছেন।এরই মধ্যে কুতুবদিয়া-কক্সবাজার গভীর সমুদ্রের দিকে পাঠিয়ে দেয়া জাহাজগুলোকে আগের অবস্থানে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। জেটির ১৮টি জাহাজের মধ্যে রোববার কয়েকটি এবং বাকিগুলো সোমবার জেটিতে ভেড়ানো হয়েছে।

বেঁধে রাখা হ্যান্ডলিং সরঞ্জামাদির বাঁধন খুলে সচল করা হয়েছে। জেটিতে জাহাজ থেকে পণ্য খালাস চলছে। বহির্নোঙরে অবস্থানরত ১০৪টি জাহাজের অনেকগুলো থেকেই পণ্য খালাস শুরু হয়েছে।’তিন দিন বন্দরে পণ্য খালাস ও ডেলিভারি কার্যত বন্ধ ছিল। এর প্রভাবে জাহাজজটের আশঙ্কা করা হচ্ছে। চট্টগ্রাম ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরোয়ার্ডিং এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম সম্পাদক কাজী মাহমুদ ইমাম বিলু বলেন, ‘তিন দিন জাহাজ থেকে কোনো কনটেইনার নামেনি। তাই কনটেইনারজট হওয়ার তেমন আশঙ্কা নেই।এ অবস্থায় পণ্য ওঠানামা এবং ডেলিভারি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে হয়তো এক সপ্তাহেরও বেশি সময় লাগতে পারে। ঘূর্ণিঝড়ের সময় বেশকিছু জাহাজ বন্দরসীমার বাইরে ছিল। সেগুলো বন্দরে প্রবেশ করতে পারেনি।এখন এসব জাহাজ প্রবেশ করলে জাহাজের একটা জট তৈরি হতে পারে। তবে তা বোঝা যাবে আরও দু-একদিন পর। যদি একবার জাহাজজট তৈরি হয়, তা থেকে স্বাভাবিক অবস্থায় যেতে এক সপ্তাহের আরও বেশি সময় লাগতে পারে।’ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট সেলের (ডব্লিউটিসি) যুগ্মসচিব আতাউল করিম রঞ্জু বলেন, গত তিন দিনে বহির্নোঙরে অবস্থানরত ২৫টি মাদার ভেসেল থেকে পণ্য খালাস হওয়ার কথা ছিল। দেড়শ’ লাইটার জাহাজের মাধ্যমে পণ্য খালাস করার কথা। কিন্তু ঘূর্ণিঝড়ের সংকেতের কারণে এ তিন দিন লাইটার জাহাজ যেতে পারেনি। সোমবার সকাল থেকে লাইটার জাহাজ বহির্নোঙরে গিয়ে পণ্য খালাস শুরু করেছে।

 

Check Also

মেহেরপুরের ৫ রোভারের

মেহেরপুরের ৫ রোভারের ২৩ তম মৃত্যুবার্ষিকীতে দোয়া মহাফিল অনুষ্ঠান

মেহেরপুর প্রতিনিধিঃ মেহেরপুরের ৫ রোভারের ২৩ তম মৃত্যুবার্ষিকীতে দোয়া মহাফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মেহেরপুরের কৃতি ৫ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *